উদ্দীপকে কৃষি ঋণের প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস গুলো লক্ষ্য করা যায়। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো : কৃষিঋণের যেসব উৎস সরকারি ঋণদানের বিধি ও নিয়মের অন্তর্ভুক্ত সেসব উৎসকে প্রাতিষ্ঠানিক উৎস বলে। যেমন ব্যাংক, বীমা ইত্যাদি। আর কৃষিঋণের যেসব উৎস সরকারি বিধি ও নিয়ম বহির্ভূত সেসব উৎসকে অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস বলে। যেমন গ্রাম্য-মহাজন, বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজন ইত্যাদি। উদ্দীপকে জয়নাল সেচের জন্য পর্যাপ্ত মিঠাপানি পাচ্ছে না। ঋণের জন্য জয়নালসহ গ্রামের লোকের আত্মীয়-স্বজন, মহাজন, ধণী কৃষকের দ্বারস্থ হয়। এগুলো অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎস কে নির্দেশ করে। এছাড়া তারা গ্রামীণ ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক, এনজিও ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেন। এগুলা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎস এর সাথে সাদমর্শপূর্ণ। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে কৃষিঋণের প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস উল্লেখ করা হয়েছে ।