উদ্দীপকের শ্রেষ্ঠ মন্তব্যটি হচ্ছে ” বিদ্যুতের পাশাপাশি পারমাণবিক শক্তিকে কৃষি উৎপাদনে,চিকিৎসা ক্ষেত্রে , খাদ্য নিরাপত্তা সহ নানাবিধ কাজে ব্যবহার করা যাবে”- আমি এই মন্তব্যের সাথে একমত।
বর্তমানে পরমাণু শক্তি বহু ক্ষেত্রে ব্যবহার রয়েছে। পরমাণু শক্তিকে কৃষিসহ চিকিৎসা, খাদ্য নিরাপত্তা ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। পারমাণবিক শক্তির মাধ্যমে কৃষিতে মাটি, শাক-সবজি , বৃক্ষ , প্রাণী এমন খাদ্য সামগ্রীতে পরিমাণ মতো গুণগত পরিবর্তনসাধন করেছে। পারমাণবিক শক্তি খাদ্যের মনোনয়ন ও পরিমাণ বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে।
উদ্দীপকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদনে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি পারমাণবিক শক্তিকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়। যেমন রেডিয়েশনের মাধ্যমে গুণগত মান পরিবর্তন করে উৎপাদন করা যায়। এছাড়া পারমাণবিক শক্তি মানুষের রোগ নির্ণয়ে ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশের বলতে গেলে বর্তমানেও অনুন্নত কৃষি ব্যবস্থা বিরাজমান। এজন্য এ জনবহুল দেশে সকল জনগণের খাবারের যোগান দেওয়া যায় না। তাই বাংলাদেশের কৃষিতে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। এটি পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার বাংলাদেশে কৃষি উন্নয়ন ঘটাবে।
পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাটে পারে। কেননা পারমানবিক শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রধান ও রোগ নির্ণয়ের সহজ হবে। এছাড়াও পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন এদেশের বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণ করবে।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা উচিত।