উদ্দীপকে ঋণের দুইটি উৎস অর্থাৎ প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রতিষ্ঠানের উৎসের কথা বলা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক উৎসটি অপর উৎস হতে অধিক ভালো।
ঋণদানের যে সকল উৎস সরকারি বিধি ও নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত হয়, সেসব উৎস কে অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস বলা হয়। এ ধরনের ঋণের উৎস হল গ্রাম্য মহাজন, ব্যবসায়ী, দোকানদার ইত্যাদি। এক্ষেত্রে কৃষকদের অতি উচ্চস্বরে সুদ দিতে হয়। যা নিম্নবিত্তদের পক্ষে পরিশোধ করা অসম্ভব প্রায়। যার ফলে তারা অনেক মূল্যবান সম্পদ হারিয়ে থাকে।
অপরদিকে, যেসব প্রতিষ্ঠান সরকারি ঋণদানের বিধি ও নিয়মের অন্তর্ভুক্ত তাকে প্রতিষ্ঠান উৎস বলা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান হতে কৃষকদের ঋণ প্রদান করা হয়। এদের ঋণের প্রধান লক্ষ্য হলো কৃষি উন্নয়ন। এখানে মুনাফা অর্জন মুখ্য উদ্দেশ্য নয়। ফলে স্বল্প সুদে তারা ঋণ দিয়ে থাকে।
অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস হতে প্রাতিষ্ঠানিক উৎসের ঋণ বেশি সহজলভ্য। কম জামানতে অধিক ঋণ প্রদান করা হয়ে থাকে।
অতএব বলা যায়, প্রাতিষ্ঠানিক উৎস ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎসের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ বেশি উত্তম।