উদ্দীপকে প্রদত্ত দুটি খাত হলো প্রাণিজ ও বনজ সম্পদ। প্রবৃদ্ধির হারের সাহায্যে নিম্নে দুটি খাতের GDP-তে অবদানের তুলনা করা হলো।
বাংলাদেশে বর্তমানে বনভূমির পরিমাণ ১৫.৫৮ শতাংশ। আর এই পরিমাণ বনভূমি নিয়েই আমাদের বনজ সম্পদ উপখাত গঠিত। পক্ষান্তরে, গৃহে ও খামারে পালিত নানা রকম পশু-পাখি নিয়ে আমাদের প্রাণীজ সম্পদ উৎখাত গঠিত। উল্লেখিত দুটি খাতই বাংলাদেশের GDP-তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও দুইটির অবদান সমান নয়। উদ্দীপকে কৃষি খাতের দুটি উপখাত যথাঃ (১) প্রাণীজ সম্পদ ও (২) বনজ সম্পদ নিয়ে একটি প্রবৃদ্ধি হারের চার্ট দেখানো হয়েছে। যেখানে দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে GDP-তে প্রাণীর সম্পদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.২০ শতাংশ অপরদিকে বন সম্পদের ছিল ৫.১২%। এখানে বনজ সম্পদের অবদান ছিল বেশি। আবার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রাণিজ সম্পদের প্রবৃদ্ধি হার ছিল ৩.৩১ শতাংশ ও বনজ সম্পদের ছিল ৫.৬০ শতাংশ। এভাবে, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রাণিজ ও বনজ সম্পদ এদের প্রবৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ৩.৪১ ও ৫.৫১ শতাংশ এবং ৩.৫৪ ও ৮.৩৪ শতাংশ।
উদ্দীপকের ছক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রাণিজ ও বনজ উপখাতই GDP-খাতে তাদের অবদান দিন দিন বাড়িয়েই চলছে। যা দেশের অর্থনীতির জন্য কল্যাণকর বিষয়। তবে, যদি আমরা দুইটি পক্ষের মধ্যে তুলনা করি, তবে স্পষ্ট তো দেখা যায়, প্রাণীজ সম্পদের তুলনায়, বনজ সম্পদের অবদান অধিক ও দিন দিন তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।