উদ্দীপকের আলোকে কৃষিঋণের উৎসকে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ উৎস ও অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ উৎস- এই দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়।
১. প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎস: যে ঋণের উৎস ব্যাংক, সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা এনজিওর মাধ্যমে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে পরিচালিত হয়, তাকে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎস বলা হয়। এই উৎস থেকে কৃষকদের স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করা হয় এবং নির্দিষ্ট শর্ত মেনে ঋণ পরিশোধ করতে হয়। উদ্দীপকের তথ্য অনুসারে, শাহরিয়ার কৃষি ব্যাংক ও এবি ব্যাংকের ঋণ প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে এই উৎস থেকে ঋণ নেননি। এগুলো প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎসকে নির্দেশ করে।
২. অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎস: যে ঋণের উৎস ব্যক্তি, গ্রাম্য মহাজন, আত্মীয়স্বজন বা স্থানীয় অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান থেকে আসে, তাকে অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎস বলা হয়। এই উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ সহজ হলেও সুদের হার বেশি থাকে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঋণের শর্ত কঠোর হয়। উদ্দীপকের তথ্য অনুসারে, শাহরিয়ার সহজলভ্যতার কারণে গ্রামের ধনী কৃষক, প্রতিবেশী, মহাজন ও স্বর্ণকারদের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন। এটি অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎসকে নির্দেশ করে
সুতরাং, কৃষিঋণের উৎস প্রধানত প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক এই দুইভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা যায়।