বাংলাদেশের জিডিপিতে উদ্দীপকে উল্লিখিত খাতগুলোর অবদান বর্ণনা করা হলো-
১. শস্য ও উদ্যান খাত: শস্য ও উদ্যান খাত দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ধান, গম, ভুট্টা, ডাল ও সবজি উৎপাদনের মাধ্যমে এটি খাদ্য চাহিদা পূরণ ও আমদানি নির্ভরতা কমায়। 2021-22 অর্থবছরে এ খাতের উৎপাদন 159,470 কোটি টাকা, যা 2022-23 সালে 164,498 কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। 3.15% প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে এটি কৃষির অন্যতম প্রধান উপখাত হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
২. প্রাণী সম্পদ খাত: প্রাণী সম্পদ খাত থেকে মাংস, দুধ ও ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পুষ্টি চাহিদা পূরণে সহায়ক। এটি চামড়া -ও দুগ্ধ শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহ করছে। 2021-22 অর্থবছরে এ খাতের অবদান 55,661 কোটি টাকা, যা 2022-23 অর্থবছরে 57,426 কোটি টাকা হয়েছে। 3.17% প্রবৃদ্ধি অর্জন করে এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
৩. বনজ সম্পদ ও সেবা সহায়িকা খাত: বনজ সম্পদ খাত কাঠ, বাঁশ ও হারবাল ওষুধ সরবরাহের মাধ্যমে শিল্পের কাঁচামাল যোগান দেয় এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে। 2021-22 অর্থবছরে এ খাতের অবদান 50,129 কোটি টাকা, যা 2022-23 অর্থবছরে 52,700 কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। 5.13% প্রবৃদ্ধি অর্জন করে এটি বনজ সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
৪. মৎস্য সম্পদ খাত: বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রধান মৎস্য উৎপাদক দেশ, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক। 2021-22 অর্থবছরে এ খাত থেকে 73,866 কোটি টাকা উৎপাদিত হয়েছে, যা 2022-23 অর্থবছরে 75,936 কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। 2.80% প্রবৃদ্ধি অর্জন করে এটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখছে।