হ্যাঁ, সোহাগ হোসেন ব্যাংক ছাড়া অন্য উৎস থেকেও ঋণ গ্রহণ করতে পারত। কারণ কৃষি ঋণের উৎস প্রধানত দুই ধরনের-প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ ও অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ।
সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক ছাড়াও নিম্নলিখিত উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করা সম্ভব:
১. অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ: মহাজন, স্বর্ণকার, ধনী কৃষক, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে সহজ শর্তে ঋণ পাওয়া সম্ভব।
২. এনজিও ঋণ: গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক, আশা, বন্ধন ইত্যাদি ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান কৃষকদের ঋণ প্রদান করে।
৩. কৃষি সমবায় ঋণ: বিভিন্ন সমবায় প্রতিষ্ঠান কৃষকদের স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করে।
যদিও সোহাগ হোসেন এসব উৎস থেকে ঋণ নিতে পারতো, তবে অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণের ক্ষেত্রে উচ্চ সুদহার ও কঠোর পরিশোধের শর্ত থাকায় তা আর্থিক ঝুঁকির কারণ হতে পারতো। এনজিও ও সমবায় থেকে ঋণ নেওয়া সম্ভব হলেও অনেক ক্ষেত্রে ঋণের শর্ত কঠোর থাকে ও সময়মতো পরিশোধের চাপ থাকে।
সুতরাং, সোহাগ হোসেন ব্যাংক ছাড়া অন্য উৎস থেকে ঋণ নিতে পারতো, তবে ব্যাংক ঋণের সুদহার তুলনামূলক কম এবং শর্ত তুলনামূলক সহজ হওয়ায় এটি তার জন্য সর্বোত্তম বিকল্প ছিল।