উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে কৃষির উপখাতগুলোর অবদানের গতিধারা এবং অর্থনৈতিক তাৎপর্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়-
শস্য ও শাকসবজি খাতের অবদান সর্বোচ্চ, যা দেশের প্রধান খাদ্য উৎপাদন খাত হিসেবে ভূমিকা রাখছে। মৎস্যসম্পদের অবদান উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সাহায্য করছে। পশুসম্পদ খাতের অবদান তুলনামূলক কম, যা উন্নত প্রাণিজ পণ্য উৎপাদনের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। বনজসম্পদের অবদান সবচেয়ে কম।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষির উপখাতগুলো অবদান অপরিসীম। যেমন-
(ক) খাদ্য নিরাপত্তায় ভূমিকা: শস্য ও শাকসবজি উৎপাদন বেশি থাকায় খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত হয়, যা জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখে।
(খ) কর্মসংস্থান সৃষ্টি: কৃষির উপখাতগুলো বিশেষ করে শস্য ও শাকসবজি ও মৎস্য খাত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রধান কর্মসংস্থানের উৎস।
(গ) রপ্তানি আয়ে অবদান: মৎস্যসম্পদ ও পশুসম্পদ খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে, যা অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
(ঘ) শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহ: কৃষিখাত থেকে উৎপাদিত কাঁচামাল যেমন শস্য, পশুসম্পদ ও বনজসম্পদ বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যা শিল্পোন্নয়নে সহায়ক।সুতরাং, কৃষির প্রতিটি উপখাতের সমন্বিত উন্নয়ন অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।