উদ্দীপকে বর্ণিত কৃষি কর্মসূচির উপযোগিতা বিশ্লেষণ করা হলো-
১. শস্য বহুমুখীকরণ: একসময় নির্দিষ্ট কিছু শস্য উৎপাদনের ওপর কৃষির নির্ভরতা থাকলেও বর্তমানে কৃষিতে বৈচিত্র্য এসেছে। এখন কৃষকগণ ধান, গম, ভুট্টা, আলু, শাকসবজি ও ফলমূল চাষের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়াচ্ছেন, যা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
২. জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার: জৈব প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে আধুনিক কৃষি উৎপাদন পদ্ধতি চালু হয়েছে। রোগপ্রতিরোধী ও অধিক ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করা সম্ভব হচ্ছে, যা কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়াচ্ছে।
৩. উন্নত বীজের ব্যবহার: উচ্চ ফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধী উন্নত বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা স্বল্প সময়ে অধিক উৎপাদন করতে পারছেন, যা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
৪. প্রতিকূল পরিবেশ সহিষ্ণু বীজ উদ্ভাবন: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষিক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ দেখা দিলেও গবেষণার মাধ্যমে খরা, লবণাক্ততা ও বন্যা সহিষ্ণু বীজ উদ্ভাবন করা হচ্ছে, যা কৃষকদের জন্য বড় সহায়তা।
সুতরাং, উদ্দীপকে বর্ণিত কৃষি কর্মসূচিগুলো কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে