বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে সরকারের গৃহীত কর্মসূচিগুলো হলো-উপকরণ বিতরণ, বীজ সহায়তা, প্রকৃত কৃষকদের মধ্যে খাস জমি বণ্টন এবং সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ ইত্যাদি। নিচে এসমস্ত কর্মসূচি Y দেশের কৃষি বিপণনে রাষ্ট্রের উদ্যোগের সাথে বাংলাদেশের সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সাদৃশ্যপূর্ণ।
কৃষি উপকরণ বিতরণ: শুধু কৃষিঋণ বিতরণই কৃষি উন্নয়নের একমাত্র কর্মসূচি নয়। কৃষি উপকরণে ভর্তুকি, উপকরণ সহজলভ্যকরণ, উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণসহ নানারূপ কর্মসূচি কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
কৃষি বীজ সহায়তা: উন্নত জাতের বীজ সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনকে শক্তিশালী করা হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে ছোট, বড়, মাঝারি, বর্গাচাষি, ভূমির মালিক এবং ধনী চাষিদের মধ্যে কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণ করেছে।
সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ: অতিবৃষ্টি ও অনাবৃষ্টির কারণে এদেশে কৃষি উৎপাদন প্রায়ই ব্যাহত হয়। এরূপ অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে কৃষি জমিতে পানিসেচ করা হয়। সরকারিভাবে ষাটের দশকের গোড়ার দিকে ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পসমূহ (শক্তিচালিত পাম্প, গভীর নলকূপ, অগভীর নলকূপ, ভাসমান পাম্প ইত্যাদি) বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করার পর দ্রুত সেচের অধীনে জমির পরিমাণ বাড়তে থাকে।
সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে সরকারের গৃহীত কর্মসূচিগুলো, উপকরণ বিতরণ, বীজ সহায়তা, প্রকৃত 'কৃষকদের মধ্যে খাস জমি বণ্টন এবং সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ ইত্যাদি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করবে এবং কৃষি উন্নয়নে যথেষ্ট সহায়ক ভূমিকা পালন করবে যা Y দেশের কৃষি বিপণনে রাষ্ট্রের উদ্যোগের সাথে মিল রয়েছে।