উদ্দীপকের জনাব শামীমের গৃহীত ঋণ হলো অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ অন্যদিকে জনাব সালামের গৃহীত ঋণ হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ।
কৃষি উৎপাদনের উপকরণ ক্রয়ের জন্য অথবা খামারের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে কৃষক যে ঋণ গ্রহণ করে তাকে কৃষিঋণ বলা হয়। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্যও কৃষিঋণের প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশের কৃষকরা প্রাতিষ্ঠানিক, অপ্রাতিষ্ঠানিক ও উপানুষ্ঠানিক উৎস থেকে এ ঋণ গ্রহণ করে। অপ্রাতিষ্ঠানিক কৃষিঋণের উৎসের মধ্যে আছে গ্রাম্য মহাজন, দোকানদার, ভূস্বামী, ব্যাপারি ইত্যাদি। উপানুষ্ঠানিক কৃষিঋণের উৎসের মধ্যে আছে NGO, গ্রামীণ ব্যাংক ইত্যাদি। বাণিজ্যিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, সমবায় সমিতি, ব্যাংক, সমবায়, বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকার ইত্যাদি হলো কৃষিঋণের প্রাতিষ্ঠানিক উৎস।
উদ্দীপকে শামীম তার বীজ, সার, সেচব্যবস্থা, কীটনাশক ক্রয়বাবদ মহাজন, ভূস্বামী ও ধনী কৃষকদের নিকট হতে উচ্চ সুদে ঋণ গ্রহণ করে উৎপাদন করেন, যা মূলত অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ। এ ধরনের ঋণ গ্রহণে মহাজনদের টাকা ফেরত না দিলে এরা জমিজমাসহ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তিও দখল করে নেয়। কিন্তু সালাম সাহেবের গৃহীত ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটি হলো- প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
অতএব, উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, উদ্দীপকের কৃষি ঋণসমূহের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ হলো কৃষকবান্ধব।