উদ্দীপকে নির্দেশিত প্রযুক্তি হল কৃষি প্রযুক্তির উন্নত বীজ উদ্ভাবন। বাংলাদেশের কৃষিতে উৎপাদনের উপর তার ইতিবাচক প্রভাব আলোচনা করা হলো।
যে বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞান, কৌশল এবং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে তুলনামূলকভাবে স্বল্প সময়,স্বল্পভাবে প্রতিকূল পরিবেশে কৃষির ফলন বৃদ্ধি করা যায় তাকে কৃষি প্রযুক্তি বলে। এই প্রযুক্তির প্রধান উপকরণ হলো উচ্চ ফলনশীল বীজ।এবং কৃষিতে এই উচ্চ ফলনশীল বীজ উদ্ভাবনের ফলে প্রতিকূল পরিবেশেও ফসল উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে এবং পূর্বের তুলনায় বহুগুণ বেশি ফসল উৎপাদন করা যাচ্ছে।
উদ্দীপকে রনজু মিয়া টেলিভিশনের মাধ্যমে কৃষির যে প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পারেন, তা ব্যবহারের ফলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বহুগুণে বেড়েছে এবং খাদ্যঘাটতির সমস্যার সমাধান হয়েছে। এই প্রযুক্তির ফলে নতুন জাতের শস্য বীজ উদ্ভাবন হয়েছে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া খরা, বন্যা, লবণাক্ততা,ইত্যাদি প্রতিকূল পরিবেশেও ফসলের সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে এখন প্রতিকূল অবস্থায়ও অধিক পরিমাণ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। ফলে দেশের খাদ্য ঘাটতি সমস্যার সমাধান হচ্ছে এবং অতিরিক্ত ফসল বিক্রির মাধ্যমে মুনাফা আয়ের দ্বারা জীবনমান উন্নত হচ্ছে। যা বাংলাদেশের কৃষিতে উৎপাদনের উপর গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে নির্দেশিত কৃষি প্রযুক্তি তথা উন্নত বীজ উদ্ভাবন বাংলাদেশের কৃষিতে উৎপাদনের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।