দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির উপখাতগুলোর ভূমিকা অপরিসীম।
দেশে উৎপাদিত খাদ্যশস্য, শাকসবজি ও মসলা জাতীয় খাদ্যদ্রব্য নিয়ে শস্য ও শাকসবজি উপখাত গঠিত। গৃহে ও খামারে পালিত নানা জাতের পশু ও পাখি নিয়ে প্রাণিসম্পদ উপখাত গঠিত। আর বৃক্ষ, কাঠ, জ্বালানি ইত্যাদি নিয়ে বনজ সম্পদ উপখাত গঠিত। এছাড়া পুকুর, জলাশয়, নদী ও সমুদ্রের সব মৎস্যজাতদ্রব্য নিয়ে মৎস্য খাত গঠিত।
উদ্দীপকে কৃষির ৩টি উপখাতের উল্লেখ রয়েছে। যা মোট দেশজ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২০২১-২২ অর্থবছরে শস্য ও উপখাতটির মোট অবদান GDP তে ১৫৭০৬৭ কোটি টাকা। প্রাণিসম্পদের অবদান ৫৫৬৬১ কোটি টাকা। এছাড়া একই অর্থবছরে বনজ সম্পদ উপখাতটির অবদান ৫০১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, উপখাতগুলো সামষ্টিকভাবে দেশের জিডিপিতে অবদান রাখছে।
দেশে উৎপাদিত শস্য ও শাকসবজি দেশীয় জনগণের খাদ্য চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্বাধীনতার পর থেকে এ উপখাতের অবদান বেড়েই চলছে। অন্যদিকে, প্রাণিজসম্পদ উপখাতের পণ্যগুলো মানবদেহের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্যাদি উৎপাদন ও রপ্তানির ক্ষেত্রেও এ উপখাত অপরিসীম ভূমিকা রাখছে। আর বনজ সম্পদ উপখাত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি বৃক্ষ, কাঠ, ফল, মধু, জ্বালানি ইত্যাদি উৎপাদনের মাধ্যমে অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। সুতরাং বলা যায়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উদ্দীপকে উল্লিখিত উপখাতগুলোর অবদান অপরিসীম।