কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ যথেষ্ট বলে আমি মনে করি।
উন্নয়নশীল দেশের মানুষ খাদ্য ও জীবনধারণের জন্য প্রধানত কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই কৃষির অবকাঠামোগত পরিবর্তন ও আধুনিকায়ণ গুরুত্বপূর্ণ। দারিদ্র্য বিমোচন ও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য কৃষিক্ষেত্রে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। যেমন: শস্য বহুমুখীকরণ, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ ও কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন, কৃষি ঋণ বিতরণ ইত্যাদি।
উদ্দীপকে উল্লেখ আছে যে, সরকার কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও স্বংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য কৃষিক্ষেত্রে ভর্তুকি প্রদান, ঋণ বিতরণ সহজীকরণ, কৃষিজ উপকরণ, সরবরাহসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কৃষিতে ভর্তুকি ও কৃষি ঋণে সহজলভ্য হলে কৃষকরা কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে। আবার কৃষিজ উপকরণ যেমন উন্নত জাতের বীজ কৃষিক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সহায়তা করে।
কৃষিক্ষেত্রে ভর্তুকি প্রদানের ফলে উপকরণগুলো কৃষকরা সহজে পেতে পারে। কৃষি উপকরণ যেমন সার, জ্বালানি ও ডিজেল, বীজ ও কীটনাশক, গভীর ও অগভীর নলকূপ কৃষকদের ক্রয়ক্ষমতার আওতায় আসে। উৎপাদনে চলতি ব্যয় সংকুলানে কৃষকরা ঋণ গ্রহণ করে। এছাড়া আর বিভিন্ন কার্যক্রম যেমন কৃষি কাজে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, শস্য বহুমুখীকরণ ইত্যাদি কৃষিক্ষেত্রের উৎপাদনকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। এভাবে কৃষিতে ব্যাপক উৎপাদশীলতা দারিদ্র্য বিমোচন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্জনে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। তাই বলা যায় যে, সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্যতা বিমোচন ও স্বয়ংসম্পূর্ণা অর্জনে যথেষ্ট।