উদ্দীপকের বিদ্যমান সংকট উত্তরণে জলাবদ্ধতা, লবণাক্ততা, বন্যা ও খরা সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবনের সুপারিশ করবো।
বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব কৃষির ওপর সরাসরি পড়ে। যেমন বন্যা ও খরার ফলে ব্যাপক পরিমাণ কৃষি ফসল নষ্ট হয়ে যায়। আবার লবণাক্ততার ফলে অনেক ফসল মারা যায়। অনেক ফসলের উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়। এ ধরনের সমস্যা সমাধানে, জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার ইতিবাচক ফলাফল প্রদান করে।
উদ্দীপকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোখার কারণে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিনসহ উপকূলীয় অঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে লবণাক্ততা বাড়ে এবং উৎপাদনক্ষমতা কমে। বর্তমানে বিভিন্ন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও প্রয়োগের মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে উত্তরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। অর্থাৎ বন্যা, খরার ও লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন করলে উক্ত সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে।
লবণাক্ততার কারণে অনেক ধরনের ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয় না। তাই লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত আবিষ্কার করা হলে এ সমস্যার সমাধান হবে। আবার খরা ও বন্যার কারণে অনেক ফসল নষ্ট হয়ে যায়। এক্ষেত্রে বন্যা ও খরা সহিষ্ণু ফসলের জাত বন্যা ও খরার মতো প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকতে সক্ষম। তাই এ ধরনের ফসল চাষের মাধ্যমে বন্যা ও খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে। সুতরাং, বলা যায়, উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসল চাষের মাধ্যমে অভিযোজন করা সম্ভব হবে।