উদ্দীপকের রানার চাষাবাদ পদ্ধতিটি হলো শস্যবহুমুখীকরণ। নিম্নে তা আলোচনা করা হলো:
একই জমিতে বিভিন্ন মৌসুমে ভিন্ন ভিন্ন ফসল উৎপাদন করাই হলো শস্য বহুমুখীকরণ। শস্য বহুমুখীকরণ এর মাধ্যমে একই জমিতে একাধিক ফসল চাষ করা যায়। ফলে মাটির গুনাগুন অক্ষুণ্ন থাকে এবং উৎপাদন অধিক হয়। আবার, নানা ধরনের ফসল উৎপাদন হওয়ায় পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়।
উদ্দীপকের রানা এমনভাবে চাষ করেন যে, সে একই জমিতে বছরে তিন-চারটি ফসল উৎপাদন করতে পারে। যেমন ধান, আলু, সবজি, ডাল ইত্যাদি। অর্থাৎ রানা তার জমিতে একই ফসল বারবার চাষ না করে বিভিন্ন মৌসুমী ভিন্ন ভিন্ন ফসল উৎপাদন করেন। সুতরাং এর চাষাবাদ পদ্ধতি হলো শস্য বহুমুখীকরণ। শষ্য বহুমুখীকরণের ফলে মোট উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। আবার বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন হয়। ফলে জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়। ছাড়াও উদ্বৃত্ত ফসল কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং শিল্পের বিকাশ সাধন করে । শস্য বহুমুখীকরণ করলে সারা বছর সামগ্রিকভাবে অর্থনীতির নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন ঘটায়।
সুতরাং বলা যায় যে, রানার চাষ পদ্ধতি শিল্পের বিকা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।