উদ্দীপকে জৈব প্রযুক্তির কথা বলা হয়েছে।
জীবকোষের কোনো উপাদান বা কাঠামোকে পরিবর্তন করে মানব কল্যাণে ব্যবহার করার প্রযুক্তিই হলো জৈব প্রযুক্তি। এক্ষেত্রে উদ্ভিদ বা প্রাণীর ডিএনএ পরিবর্তন বা নতুন উপায়ে সাজিয়ে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের বীজ উৎপাদন করা হয়। এ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফসলের পরিমাণগত ও গুণগত পরিবর্তন করা যায়।
উদ্দীপকে, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের হাত থেকে মুক্তি পেতে বর্তমানে একটি কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। উক্ত প্রযুক্তি কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অর্থাৎ, জলবায়ু ও পরিবেশ দূষণের সাথে খাপ বা অভিযোজন করতে পারে। তখন শস্যের উদ্ভাবন করা হয়েছে। অতএব, এটি জৈব প্রযুক্তিকে নির্দেশ করছে।
জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো ফসলের গুণগত মান ঠিক রেখে পরিমাণগত মান উন্নত করা যায়। ফলে মোট উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। আবার এ প্রযুক্তির সাহায্যে বন্যা, লবণাক্ততা, খরা ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহিষ্ণু ফসলের বীজ উৎপাদন করা যায়। ফলে নিরবচ্ছিন্নভাবে উৎপাদন করা সম্ভব। এছাড়া বিভিন্ন প্রাণী বা ফসলের ক্ষতিকর উপাদান বাদ দিয়ে নানা ধরনের উপকারী ও নানা বৈশিষ্ট্যের প্রাণীর বা ফসলের জাত তৈরি করা যায়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে ব্যবহৃত জৈব প্রযুক্তি কৃষিক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।