'নজরুল সাহেবের উৎপাদিত চিংড়ি 'মাছ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে'- ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ি মাছ রপ্তানি করে প্রচুরি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে সংঘটিত বাজারই আন্তর্জাতিক বাজার। চিংড়ির বাজার বলতে মূলত আন্তর্জাতিক বাজারকে বোঝায়। কারণ দেশে সাধারণ মাছের দামের তুলনায় চিংড়ি মাছের দাম অনেক বেশি। যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তাই দেশের উৎপাদিত চিংড়ির সিংহ ভাগই রপ্তানি করা হয়। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হয়। উদ্দীপকের খুলনার মৎস্যজীবী নজরুলের মতো দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অনেকেই চিংড়ি চাষ করে লাভবান হচ্ছে। উৎপাদিত চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে চিংড়ি মাছ রপ্তানি করে। চিংড়ি বাংলাদেশের একটি অর্থকরী সম্পদ। ৭০ এর দশক থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ির চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে চিংড়ির চাষ এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে গলদা ও বাগদা চিংড়ি রপ্তানি করে প্রায় ৪০৭.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। তাই চিংড়িকে White Gold বা সাদা সোনা বলা হয়।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
'নজরুল সাহেবের উৎপাদিত চিংড়ি 'মাছ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে'-…
উদ্দীপক
Dinajpur · 2021
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর