জিতুর ঋণ গ্রহণের উৎসসমূহ উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে জিতু অভ্যন্তরীণ উৎস হতে ঋণ গ্রহণ করেছে। ঋণদানের যে সমস্ত উৎস সরকারি বিধি ও নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত হয়, সেসব উৎসকে অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস বলা হয়। বাংলাদেশে কৃষিঋণের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো আত্মীয়- স্বজন ও বন্ধুবান্ধব। আমাদের দেশের কৃষকরা প্রয়োজনে আত্মীয়- স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের নিকট হতে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। এ ঋণের জন্য সাধারণত কোনো সুদ দিতে হয় না। বাংলাদেশে কৃষিঋণের ক্ষেত্রে গ্রাম্য মহাজনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশের মহাজনরা জমি, অলঙ্কার ও অন্যান্য অস্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রেখে কৃষকদের ঋণ দিয়ে থাকে। এজন্য কৃষকদের অত্যধিক উচ্চহারে সুদ দিতে হয়। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে এক শ্রেণির ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দোকানদার রয়েছে। তারা কৃষকদের ঋণদানের জন্য সবসময় কিছু নগদ অর্থ হাতে জমা রাখে এবং সাধারণত ফসল বপনের পূর্বে কৃষকদের ঋণ দিয়ে থাকে। উৎপাদিত শস্য কম দামে ক্রয়ের জন্যই মূলত এ ঋণ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ কৃষকরা ফড়িয়া ও বেপারিদের নিকট হতে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। এ উৎস হতে প্রয়োজনবোধে সহজে ঋণ পাওয়া যায়। তাই সুদের হার খুব বেশি হওয়া সত্ত্বেও কৃষকরা তাদের নিকট হতে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। বর্তমানে ফড়িয়া ও বেপারি মোট ঋণের শতকরা ৩.৪ ভাগ সরবরাহ করে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে কিছু কিছু ভুঁইফোড় বিত্তশালী ব্যক্তি সম্পত্তি, অলঙ্কার ইত্যাদি বন্ধক রেখে কৃষকদের ঋণদান করে। এজন্য কৃষকদের নিকট হতে চড়া হারে সুদ আদায় করা হয়।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
জিতুর ঋণ গ্রহণের উৎসসমূহ উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
Chittagong · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর