রানার চাষাবাদ পদ্ধতিটি কী এবং কীভাবে এটি শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন (sustainable development) সাধনে সহায়তা করে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: রানার চাষাবাদ পদ্ধতিটি হলো শস্য বহুমুখীকরণ।একই জমিতে বিভিন্ন মৌসুমে ভিন্ন ভিন্ন ফসল উৎপাদন করাই হলো শস্য বহুমুখীকরণ। শস্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে একই জমিতে একাধিক ফসল চাষ করা যায়। এর ফলে মাটির গুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে এবং উৎপাদন অধিক হয়। আবার, নানা ধরনের ফসল উৎপাদন হওয়ায় পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়।উদ্দীপকে রানা এমনভাবে চাষ করেন যে, সে একই জমিতে বছরে তিন- চারটি ফসল উৎপাদন করতে পারে। যেমন: ধান, আলু, সবজি, ডাল ইত্যাদি। অর্থাৎ রানা তার জমিতে একই ফসল বারবার চাষ না করে বিভিন্ন মৌসুমে ভিন্ন ভিন্ন ফসল উৎপাদন করেন। সুতরাং, এ চাষাবাদ পদ্ধতি হালা শস্য বহুমুখীকরণ।শস্য বহুমুখীকরণের ফলে মোট উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। আবার, বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন হয়। ফলে জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়। এছাড়াও উদ্বৃত্ত ফসল কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং শিল্পের বিকাশ সাধন করে। শস্য বহুমুখীকরণ করলে সারা বছর জমিতে নিবিড় চাষাবাদ চলে। ফলে কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পায়। এটি সামাগ্রিকভাবে অর্থনীতির নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন ঘটায়। সুতরাং বলা যায়, রানার চাষপদ্ধতি শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
রানার চাষাবাদ পদ্ধতিটি কী এবং কীভাবে এটি শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান…
উদ্দীপক
হলিক্রস কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর