“কৃষি উৎপাদনযোগ্য ভূমির পরিমাণ দিন দিন হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও কৃষি উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয়”- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: “কৃষি উৎপাদনযোগ্য ভূমির পরিমাণ দিন দিন হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও কৃষি উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয়” উদ্দীপকের আলোকে নিচে বিশ্লেষণ করা হলো— জনসংখ্যা দ্রুত গতিতে বেড়েই চলেছে, যাদের জন্য বসতবাড়ি নির্মাণ করতে ও নগরায়নের ফলে কৃষি উৎপাদনযোগ্য ভূমির পরিমাণ ব্যাপকহারে হ্রাস পাচ্ছে। তবে কৃষি উৎপাদনযোগ্য ভূমির পরিমাণ হ্রাস পেলেও কৃষির উৎপাদন আগে তুলনায় বেড়েছে। উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে ১.৫০ কোটি মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়েছিল। ২০০৪-০৫ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে ২.৬৫ কোটি মেট্রিক টন হয়েছিল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তা আরো বৃদ্ধি পেয়ে ৪.২১ কোটি মেট্রিক টনে দাঁড়ায়। যা বাংলাদেশের খাদ্যশস্য উৎপাদনের বৃদ্ধি কে নির্দেশ করে। অথচ বর্ধিত জনসংখ্যার বাসস্থান নির্মাণের জন্য কৃষি উৎপাদনযোগ্য ভূমির পরিমাণ কমেছে, বাংলাদেশের খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধির মূলে রয়েছে কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার। কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কৃষকের দক্ষতা ও কৃষি দ্রব্য উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। কৃষিতে পারমাণবিক প্রযুক্তি ও জৈব প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে নতুন নতুন জাতের উফসি ফসলের বীজ উদ্ভব হচ্ছে। রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারে উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, এছাড়া কৃষিতে আইসিটি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আবহাওয়ার খবর ও বাজারজাতকরণের সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। যার ফলে বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদনযোগ্য ভূমির পরিমাণ হ্রাস পেলেও উৎপাদনের পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
“কৃষি উৎপাদনযোগ্য ভূমির পরিমাণ দিন দিন হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও কৃষি উৎ…
উদ্দীপক
Chittagong · 2022
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর