উল্লিখিত কুটির শিল্পের উন্নয়ন এর জন্য মূলধন সমস্যা নিরসনসহ নানান ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে।
যে শিল্পের জমি ও কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৫ লক্ষ টাকার নিচে এবং সর্বাধিক ৫ জন শ্রমিক কাজ করে তাকে কুটির শিল্প বলে। স্বল্প মূলধন নিয়ে পারিবারিক পরিবেশে এ শিল্প পরিচালিত হয়।
উদ্দীপকে জামিলা ও তার পরিবারের ৮ জন সদস্য মিলে ফুলদানি, ঝাপি ইতাদি বিক্রি করে। তাঁর পুঁজি স্বল্প হওয়ায় সে ঋণের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সোগাযোগ করলেও জামানত দিতে না পারায় সে ঋণ পায় নি। ফলে সে অনেক কষ্টের সম্মুখীন হয়। কুটির শিল্প এর এসব সমস্যা নিরসনে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে তা হলো—
১) কুটির শিল্পের উদ্যোক্তাদের সহজ ও বিনা শর্তে ঋণ ব্যবস্থা করে দিতে হবে।
২) সহজ শর্তে জামানত ঋণ প্রদান,
৩) শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাকরণ,
৪) অবকাঠামোগত উন্নয়ন যেমন নিরবিছিন্ন বিদ্যুৎ, পরিষ্কার রাস্তাঘাট ইত্যাদির সুব্যবস্থা,
৫) কাঁচামালের সহজলভ্যতা,
৬) শিল্পের আধুনিক যন্ত্রপতির ব্যবহার,
৭) সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা,
৮) বেসরকারি সংস্থার সাহায্য,
৯) সুষ্ঠু নীতিমালা এর প্রয়োগ
এসব পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে উল্লিখিত কুটির শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব।