উদ্দীপকের শস্য বহুমুখীকরণে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ যথেষ্ট নয়। বর্তমানে দেশে বিদ্যমান সীমিত জমিতে বিপুল জনসংখ্যার জন্য পর্যান্ত খাদ্য উৎপাদন একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় নিবিড় চাষাবাদের মাধ্যমে শস্যের বহুমুখীকরণ দ্বারা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা যাবে। যা দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে। আর এই কৃষি বহুমুখীকরণ করার জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। উদ্দীপকে সরকার কৃষকদের জন্য আর্থিক প্রণোদনাসহ বীজ ও কীটনাশক সবরাহ করে কৃষকদের সহায়তা করছে। যা শস্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধিতে পর্যাপ্ত নয়। কারণ শস্য বহুমুখীকরণ করলেই উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে না। উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উদ্দীপকে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের পাশাপাশি কৃষিঋণ বিতরণ, কৃষি উপকরণ বিতরণ, কৃষি উপকরণে ভর্তুকি, উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণ, কৃষি উপকরণ সহজলভ্যকরণ, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নত মানের বীজ সরবরাহ করা প্রয়োজন। সরকার এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করলে কৃষি বহুমুখীকরণের সুবিধা পাওয়া যাবে। ফলে দেশে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া একাধিক ফসল উৎপাদন মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির ক্রেতা ও বিক্রেতার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার পণ্যের পারস্পরিক চাহিদা সৃষ্টি হবে। ফলে কৃষকেরা উৎপাদনে আগ্রহী হবে এবং কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এতে শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহ বাড়বে এবং শিল্প উন্নয়ন হবে। আর শিল্পের উন্নয়ন হলে কর্মসংস্থান বাড়বে। ফলে মানুষের আয় বৃদ্ধি পাবে। ফলে GDP- তে কৃষি খাতের অবদান বাড়বে। সুতরাং বলা যায়, শস্য বহুমুখীকরণে উদ্দীপকের সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ প্রয়োজন, তবে যথেষ্ট নয়।