জমির প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন। যেসব উৎস সরকারি ঋণদানের বিধি ও নিয়মের অন্তর্ভুক্ত সে সমস্ত উৎসকে প্রাতিষ্ঠানিক উৎস বলে। প্রাতষ্ঠানিক উৎসের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ, ভূমি বন্ধকি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, সমবায় ঋণদান সমিতি, বিভিন্ন NGO ও গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের আইন-কানুন ও শর্তের বাইরে ব্যক্তিগত পর্যায়ে নিজস্ব নিয়মানুযায়ী যে ঋণের আদান-প্রদান হয়, তাকে ঋণের অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস বলে। এ ঋণের প্রধান উৎসগুলো হলো আত্মীয়- স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, গ্রাম্য মহাজন, গ্রাম্য ব্যবসায়ী ও দোকানদার, ধনী 'কৃষক, দালাল ও বেপারি এবং প্রতিবেশী প্রভৃতি।
উদ্দীপকে জমির আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব থেকে ঋণ গ্রহণ করে। যা ঋণের অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস। ঋণের এ উৎসগুলো অসংগঠিত, অনিশ্চিত ও শোষণমূলক। অন্যদিকে, বিভিন্ন এনজিও এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে যে ঋণ গ্রহণ করে সেগুলো ঋণের প্রাতিষ্ঠানিক উৎস। এ উৎসের ঋণের সুদের হার কম হয়।
প্রাতিষ্ঠানিক উৎসসমূহের ঋণের সুদের হার তুলনামূলকভাবে কম হয়। প্রাতিষ্ঠানিক উৎসের চেয়ে অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস হতে প্রাপ্ত ঋণের জন্য চড়া সুদ দিতে হয়। অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস হতে ঋণ প্রাপ্তির জটিলতা খুবই কম, এটি অতি সহজেই প্রয়োজনমতো পাওয়া যায়। তবে এ উৎসের সুদের হার কম হয়। কৃষক এদিকে থেকে বেশি লাভবান হয়।