উদ্দীপকের A দেশের খাদ্য অনিরাপদের দিকগুলো হলো— i. খাদ্যের প্রাপ্যতা, ii. খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা, iii. খাদ্যের ব্যবহার। খাদ্য অনিরাপদের এ দিকগুলো আলোচনা করা হলো-
i. খাদ্যের প্রাপ্যতা : কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট সময়ে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যের প্রাপ্তিকেই খাদ্যের প্রাপ্যতা বলা হয় পর্যাপ্ত উৎপাদন এবং নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের যোগান খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে। উদ্দীপকে দেখা যায়, A দেশের প্রতি বছর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে প্রচুর ফসলহানি হয় ফলে উৎপাদন অনেক কমে যায়। যা A দেশের জন্য খাদ্য প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে না। এটা A দেশে খাদ্য অনিরাপদের দিক।
ii.খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা : খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতার পূর্বশর্ত খাদ্য প্রাপ্যতা। কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট দামে নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রব্য ক্রয়ের যোগ্যতাকেই খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা বলে। খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতার অন্যতম নিয়ামক ব্যক্তির আয়। যদি ব্যক্তির আয় কম হয় তবে তার ক্রয়যোগ্যতাও কমে যায় । উদ্দীপকের A দেশে জনগণ অতি দরিদ্র ফলে তাদের ক্রয়ক্ষমতা কম। যা বিদ্যমান দেশের খাদ্য অনিরাপদের দিক।
iii. খাদ্যের ব্যবহার : প্রতিনিয়ত শরীরে বিভিন্ন প্রকার প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান যেমন- ক্যালরি, শর্করা, প্রোটিন, চর্বি এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা দিতে পারে, যদি নিয়মিত সুষম খাদ্য গ্রহণ করা না হয়। এ থেকে পরিত্রাণের উপায় সুষম খাদ্য গ্রহণ। উদ্দীপকের A দেশে কিছু জনগণ অতি মুনাফালোভী হওয়ায় খাদ্যদ্রব্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে। ফলে মানুষের খাদ্যের ব্যবহারের দিক অনিরাপদ হয়ে যায়।