উদ্দীপকে খাদ্য নিরাপত্তায় খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতার দিকটি ফুটে উঠেছে। কেননা জনি মিয়া দ্রব্যমূল্য অত্যধিক হওয়াই প্রয়োজনীয় সব খাদ্য যোগাতে পারে না, যা খাদ্যের কয়যোগ্যতার অভাবকে নির্দেশ করে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কেবল খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়। সেই সাথে জনগণের খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতাও থাকতে হবে. অর্থাৎ খাদ্যপ্রাপ্তি জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশে বিশেষ করে পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে দেখা যায়, দেশে খাদ্যশস্যের প্রচুর যোগান থাকা সত্ত্বেও এক শ্রেণির জনগোষ্ঠী খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। পুঁজিবাদী দেশসমূহে প্রকট আয় বৈষম্য বিদ্যমান। দেশির বেশিরভাগ সম্পদ এক শ্রেণির জনগোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত রয়েছে। পক্ষান্তরে, দেশের জনগোষ্ঠীর অন্য অংশ শোষণ ও বঞ্চনার শিকার হয়ে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে জীবনযাপন করছে। দেশের প্রচুর খাদ্যশস্য থাকা সত্ত্বেও তা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতার বাইরে রয়ে যায়। এক্ষেত্রে খাদ্যপ্রাপ্তির অভাবের কারণে নয়, বরং খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতার অভাবের কারণেই (Lack of food access) খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সমস্যা দেখা দেয়। সুতরাং দেখা যায়, উদ্দীপকের ঘটনার সাথে খাদ্য নিরাপত্তায় খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতার মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের খাদ্য নিরাপত্তায় খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা নির্দেশিত হয়েছে।