উদ্দীপকে উল্লিখিত নিরাপদ খাদ্য কর্মসূচি খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বিধায় এ ধরনের কর্মসূচির যথার্থতা রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার অনেক আগে থেকেই এমন সব কার্যক্রম গ্রহণ করে আসছে যা এদেশে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সহায়ক। নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকার ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। উদ্দীপকে বাংলাদেশের কৃষিতে নীরব বিপ্লব সাধিত হওয়ার চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবনের ফলে উপকূলীয় এলাকা ধান চাষের আওতায় আসা, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে মঙ্গা দূর হওয়া, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়া, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য খাদ্যশস্য আমদানি, অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও কৃষি গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া ইত্যাদি কর্মসূচি গ্রহণের ফলে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকার সফলতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ সরকার অনেক আগে থেকেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে— লবণাক্ততা ও অধিক তাপমাত্রা সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন করা, খাদ্যশস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কৃষকদেরকে উন্নত উপকরণ প্রদান করার মাধ্যমে কৃষিতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা, বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষর করার মাধ্যমে খাদ্যশস্য আমদানি করা, অভ্যন্তরীণ উৎস হতে চাল ও গম সংগ্রহ করা, কৃষি গবেষণার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা ইত্যাদি অন্যতম। উপরিউক্ত কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত নিরাপদ খাদ্য কর্মসূচির যথার্থতা রয়েছে। উক্ত কর্মসূচির ফলেই বাংলাদেশের কৃষিতে ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে।