খাদ্য নিরাপত্তার প্রধান তিনটি দিক হলো খাদ্যের প্রাপ্যতা, খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা ও খাদ্যের ব্যবহার। এর যেকোনো একটি দিক নিশ্চিত না হলেই খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়।সামঞ্জস্যের ভিত্তিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য প্রাপ্তিকে খাদ্যের প্রাপ্যতা বলে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মোট দেশজ উৎপাদন কম হলে সরকার দেশের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য মজুদ করতে ব্যর্থ হয়। এতেখাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। আবার, পুষ্টিকর খাদ্যের জন্য উপযুক্ত খাদ্য প্রাপ্তির নিমিত্তে পর্যাপ্ত সম্পদ থাকাকে খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা বলে। খাদ্য নিরাপত্তা তখনই নিশ্চিত হবে, যখন দেশের প্রতিটি পরিবার বা ব্যক্তির হাতে পুষ্টিকর প্রয়োজনীয় খাদ্য ক্রয়ের জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ বা অর্থ থাকবে। দেশে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, নিম্ন আয় ইত্যাদি কারণে জনগণ প্রয়োজনীয় খাদ্য ক্রয় করতে না পারলে খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। তাছাড়া, খাদ্যে ভেজাল, বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ (যেমন ফরমালিন) এর ব্যবহার নিম্ন পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য উৎপাদন ইত্যাদি কারণেও খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়।