শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তার দিকসমূহ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তার দিকটি অনেকটা নাজুক প্রকৃতির। ২০১২ সালে বিশ্বের ১০৫টি দেশের মধ্যে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সূচকে এদেশের অবস্থান ৮১তম। দক্ষিণ এশিয়ার নিচের দিক থেকে দ্বিতীয়। মালয়েশিয়া, থাইল্যাণ্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, নেপাল প্রভৃতি দেশের নিচে অবস্থান করছে। ২৫টি নির্দেশক নিয়ে গঠিত এদেশের ১৫.৯৯ মোট জনসংখ্যাকে বিবেচনা করে অর্থনীতিবিদগণ মনে করেন ১০০ এর মধ্যে আমাদের সার্বিক স্কোর ৩৪.৬। খাদ্যের সামর্থ্যে অবস্থান ৭৮, স্কোর ৩৩। খাদ্যের প্রাপ্যতায় অবস্থান ৮১ স্কোর ৩৭.৬। খাদ্যের নিরাপত্তায় অবস্থান ৯২ এবং স্কোর ৩.৪ । উপরিউক্ত তথ্যাবলি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থা অনেক খারাপ। তবে বর্তমানে সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। যেমন খাদ্য নীতি প্রণয়ন, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ ও মজুদ বৃদ্ধি, খাদ্য আমদানি ও খাদ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কৃষি উন্নয়ন ও কৃষি গবেষণায় গুরুত্ব প্রদান ইত্যাদি। সরকার যদি উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো যথাযথভাবে পালন করতে সক্ষম হয় তাহলে খুব নিকটবর্তী সময়ে বাংলাদেশ তার বর্তমান খাদ্য নিরাপত্তা সমস্যা হতে দ্রুত বেরিয়ে আসবে বলে আমি মনে করি।

HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তার দিকসমূহ ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

২০১২ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা সূচকে ১০৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮১তম, দক্ষিণ এশিয়াতে নিচের দিক থেকে দ্বিতীয়। ২৫টি নির্ণায়কের উপর ভিত্তি করে প্রণীত রিপোর্ট মূলত তিনটি উপাদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান হচ্ছে- সামর্থ্য : অবস্থান ৭৮, প্রাপ্যতা : অবস্থান ৮১, গুণগত মান ও নিরাপত্তা : অবস্থান ৯২। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যেমন— খাদ্যনীতি প্রণয়ন, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ ও খাদ্য মজুদ বৃদ্ধি, খাদ্য আমদানি ও খাদ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কৃষি উন্নয়ন ও কৃষি গবেষণায় গুরুত্ব প্রদান ইত্যাদি।

Comilla · 2019

উত্তর

মানুষের জন্য খাদ্যের অভাব মোচনের ক্ষমতা এবং নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা হলো খাদ্যের উপযোগিতা।

উত্তর

হ্যাঁ, জনসচেতনতা ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব না । দেশের সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য বিভিন্ন বিধিমালা বা আইন প্রণয়ন করেন। তবে সরকারের একার পক্ষে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়ে ওঠে না। এক্ষেত্রে জনগণ সচেতন হলে ওইসকল আইন কানুন সহজে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। তাই বলা যায়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের ক্ষেত্রে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তার দিকটি অনেকটা নাজুক প্রকৃতির। ২০১২ সালে বিশ্বের ১০৫টি দেশের মধ্যে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সূচকে এদেশের অবস্থান ৮১তম। দক্ষিণ এশিয়ার নিচের দিক থেকে দ্বিতীয়। মালয়েশিয়া, থাইল্যাণ্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, নেপাল প্রভৃতি দেশের নিচে অবস্থান করছে। ২৫টি নির্দেশক নিয়ে গঠিত এদেশের ১৫.৯৯ মোট জনসংখ্যাকে বিবেচনা করে অর্থনীতিবিদগণ মনে করেন ১০০ এর মধ্যে আমাদের সার্বিক স্কোর ৩৪.৬। খাদ্যের সামর্থ্যে অবস্থান ৭৮, স্কোর ৩৩। খাদ্যের প্রাপ্যতায় অবস্থান ৮১ স্কোর ৩৭.৬। খাদ্যের নিরাপত্তায় অবস্থান ৯২ এবং স্কোর ৩.৪ । উপরিউক্ত তথ্যাবলি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থা অনেক খারাপ। তবে বর্তমানে সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। যেমন খাদ্য নীতি প্রণয়ন, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ ও মজুদ বৃদ্ধি, খাদ্য আমদানি ও খাদ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কৃষি উন্নয়ন ও কৃষি গবেষণায় গুরুত্ব প্রদান ইত্যাদি। সরকার যদি উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো যথাযথভাবে পালন করতে সক্ষম হয় তাহলে খুব নিকটবর্তী সময়ে বাংলাদেশ তার বর্তমান খাদ্য নিরাপত্তা সমস্যা হতে দ্রুত বেরিয়ে আসবে বলে আমি মনে করি।

উত্তর

হ্যাঁ, উদ্দীপকে বর্ণিত সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে বলে আমি মনে করি। উদ্দীপকে সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে যে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা উদ্দীপকের আলোকে আলোচনা করা হলো- সঠিক ও মানসম্মত খাদ্যনীতি খাদ্য নিরাপত্তা বিধানে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। যেকোনো একটি দেশের খাদ্য নীতির ওপর নির্ভর করে সে দেশের খাদ্যের প্রাপ্তি ও সহজলভ্যতা, যা ওই দেশের সর্বস্তরের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। দেশজ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করলে নিজেদের খাদ্যে নিজেদের খাদ্য নিরাপত্তা বিধান সম্ভব হবে। এতে করে খাদ্য আমদানি করতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ বৈদেশিকভাবে ব্যয় করার প্রয়োজন হবে না। পরনির্ভরশীলতা অনেকটা হ্রাস পাবে। দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদন বিশেষত খাদ্যশস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি তথা পর্যাপ্ত করতে হবে। দেশের উৎপাদিত খাদ্য যথাযথ মূল্যে সংগ্রহ ও সরবরাহ করতে হবে। উক্ত খাদ্য যথাযথভাবে সরকারি তত্ত্বাবধানে মজুদের ব্যবস্থা করতে হবে। যখন বা যে সময় দেশে খাদ্যের স্বল্পতা বিরাজ করবে বা করতে পারে বলে মনে হয় তখনই কেবল উক্ত খাদ্য জনসাধারণের জন্য বাজারে আনা হবে। দেশের খাদ্য ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে খাদ্য আমদানি করতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে এতে করে কোনো অবস্থায় যেন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি না পায়। অর্থাৎ সরকারকে সঠিকভাবে মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। সবশেষে সরকার যে পদক্ষেপটি গ্রহণ করেছে তা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে। দেশে খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই কৃষি উন্নয়ন ও কৃষি গবেষণায় গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফসলের নতুন নতুন দুর্যোগ ও সমস্যা সহনশীল জাত উদ্ভাবন করে উৎপাদনে সাহায্য করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে। সহজশর্তে ঋণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। উপরিউক্ত আলোচনার শেষে বলা যায় উদ্দীপকে বর্ণিত সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলো খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম।
HSCEconomics 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-
i. কৃষি ঋণ বিতরণ
ii. কৃষি উপকরণ বিতরণ
iii. শস্য বহুমুখীকরণনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-
i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন
ii. অধিক বাণিজ্য
iii. অধিক কর্মসংস্থান নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-i. কৃষি ঋণ বিতরণii. কৃষি উপকরকোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়নii. অধিক উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।