খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের কী ভূমিকা হওয়া উচিত বলে তুমি মনে করো?
উত্তর: যা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) এবং জনগণের সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য নিরাপত্তা একটি বহুমাত্রিক ধারণা। এটি কেবল খাদ্যের জোগান নয়, বরং এর গুণগত মান এবং নিরাপদ ব্যবহারকেও অন্তর্ভুক্ত করে। একটি দেশে খাদ্য উৎপাদন কম ও ভেজাল খাদ্যের সমস্যা হলে সরকার একা এই সমস্যার সমাধান করতে পারে না। এক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থা এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ আবশ্যক। উদ্দীপকে 'ক', দেশের জনগণ দরিদ্র, খাদ্য অপ্রতুল এবং ভেজাল খাদ্যের কারণে যুবসমাজের স্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং এনজিওগুলো সোচ্চার হয়ে ওঠেছে। এনজিওগুলো জনগণের মাঝে ভেজাল খাদ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও সরকারকে ভেজালবিরোধী আইন প্রণয়ন ও কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য চাপ দিতে পারে। একটি দেশের সাধারণ জনগণ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সবচেয়ে বড় শক্তি। জনগণ ভেজালবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভয় পাবে। জনগণ ভেজাল খাদ্য ক্রয় থেকে বিরত থাকতে পারে। ভেজালকারীদের তথ্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সরবরাহ করতে পারে। পরিশেষে বলা যায়, বেসরকারি সংস্থাগুলো সচেতনতা সৃষ্টি ও নীতি প্রণয়নে সরকারকে সহায়তা করতে পারে। সুতরাং, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের কী ভূমিকা হওয়…
উদ্দীপক
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর