শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে অসাধু ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম কীভাবে নিরাপদ খাদ্যের কার্যকারিতা ধ্বংস করছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার লোভে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যে (ফল, মাছ, মাংস) ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য বা কেমিক্যাল ব্যবহার করছেন, যা নিরাপদ খাদ্যের মূল লক্ষ্যকে ধ্বংস করছে। ব্যাখ্যা: ১. বিষাক্ত উপাদান: নিরাপদ খাদ্যের প্রধান শর্ত হলো খাদ্যটি ক্ষতিকর জীবাণু বা রাসায়নিক মুক্ত হতে হবে। ব্যবসায়ীরা পচন রোধে ফরমালিন বা ক্যালসিয়াম কার্বাইডের মতো কেমিক্যাল ব্যবহার করায় খাদ্যের স্বাভাবিক গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং তা বিষে পরিণত হচ্ছে। ২. স্বাস্থ্যঝুঁকি: জনসাধারণ না বুঝে এসব ভেজাল খাদ্য গ্রহণ করছে, ফলে ক্যান্সার, কিডনি নষ্ট হওয়া এবং লিভারের সমস্যার মতো দীর্ঘমেয়াদী জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ৩. পুষ্টির অভাব: কেমিক্যাল ব্যবহারের ফলে খাদ্যের আসল পুষ্টিমান ব্যাহত হয়। ফলস্বরূপ, মানুষ পেট ভরার জন্য খাবার খেলেও শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাচ্ছে না। এভাবেই অসাধু ব্যবসায়ীরা জনসাধারণের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে নিরাপদ খাদ্যের সামগ্রিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নস্যাৎ করে দিচ্ছে।

HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে অসাধু ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম কীভাবে নিরাপদ খাদ্যের কার্যকার…

উদ্দীপক

কয়েক বছর আগে মিয়ানমার থেকে প্রায় ৯ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করে। ফলে বাংলাদেশে ব্যাপক হারে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দেয়। এ সুযোগে ফল, মাছ, মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ভালো রাখতে এবং পচনের হাত থেকে রক্ষা করতে অসাধু ব্যবসায়ীগণ এক ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করেন। জনসাধারণ না বুঝেই ভেজাল খাদ্য ক্রয় করেন।

সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026

উত্তর

যেসব খাদ্যে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলো (শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি) সঠিক পরিমাণে বিদ্যমান থাকে এবং যা শরীরের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, তাকে পুষ্টিকর খাদ্য বলে।

উত্তর

নিরাপদ খাদ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তা একে অপরের পরিপূরক। খাদ্য নিরাপত্তা বলতে বোঝায় সকল মানুষের জন্য সবসময় প্রয়োজনীয় খাদ্যের প্রাপ্যতা এবং তা ক্রয়ের সামর্থ্য থাকা। কিন্তু খাবার পেলেই হবে না, সেই খাবারটি হতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত বা নিরাপদ। যদি খাদ্য অনিরাপদ বা বিষাক্ত হয়, তবে তা গ্রহণ করে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়বে, ফলে প্রকৃত 'খাদ্য নিরাপত্তা' অর্জিত হবে না। তাই বলা যায়, খাদ্য নিরাপদ না হলে খাদ্য নিরাপত্তা অর্থহীন হয়ে পড়ে।

উত্তর

উদ্দীপকে অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার লোভে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যে (ফল, মাছ, মাংস) ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য বা কেমিক্যাল ব্যবহার করছেন, যা নিরাপদ খাদ্যের মূল লক্ষ্যকে ধ্বংস করছে। ব্যাখ্যা: ১. বিষাক্ত উপাদান: নিরাপদ খাদ্যের প্রধান শর্ত হলো খাদ্যটি ক্ষতিকর জীবাণু বা রাসায়নিক মুক্ত হতে হবে। ব্যবসায়ীরা পচন রোধে ফরমালিন বা ক্যালসিয়াম কার্বাইডের মতো কেমিক্যাল ব্যবহার করায় খাদ্যের স্বাভাবিক গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং তা বিষে পরিণত হচ্ছে। ২. স্বাস্থ্যঝুঁকি: জনসাধারণ না বুঝে এসব ভেজাল খাদ্য গ্রহণ করছে, ফলে ক্যান্সার, কিডনি নষ্ট হওয়া এবং লিভারের সমস্যার মতো দীর্ঘমেয়াদী জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ৩. পুষ্টির অভাব: কেমিক্যাল ব্যবহারের ফলে খাদ্যের আসল পুষ্টিমান ব্যাহত হয়। ফলস্বরূপ, মানুষ পেট ভরার জন্য খাবার খেলেও শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাচ্ছে না। এভাবেই অসাধু ব্যবসায়ীরা জনসাধারণের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে নিরাপদ খাদ্যের সামগ্রিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নস্যাৎ করে দিচ্ছে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত খাদ্য সংকট ও ভেজালের সমস্যার সমাধানে সরকার নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারে: ১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: 'নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩' অনুযায়ী ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি, ভারী জরিমানা এবং কারাদণ্ডের বিধান নিশ্চিত করতে হবে। ২. ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা: বাজারগুলোতে নিয়মিত বিএসটিআই (BSTI) ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ঝটিকা অভিযান বা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে। ৩. খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন: প্রতিটি জেলা ও বড় বাজারে আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপন করা উচিত, যাতে খুব দ্রুত ফল বা মাছের কেমিক্যাল পরীক্ষা করা যায়। ৪. সচেতনতা বৃদ্ধি: সরকারি উদ্যোগে টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও ইন্টারনেটে প্রচারণার মাধ্যমে জনসাধারণকে ভেজাল খাদ্য চেনার উপায় এবং এর কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। ৫. বিকল্প সংরক্ষণ ব্যবস্থা: পচন রোধে ব্যবসায়ীরা যাতে ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার না করে, সেজন্য সরকারি উদ্যোগে পর্যাপ্ত হিমাগার (Cold Storage) স্থাপন এবং সুলভে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ৬. নিরাপদ খাদ্য জোন সৃষ্টি: নির্দিষ্ট এলাকা বা বাজারকে 'নিরাপদ খাদ্য জোন' হিসেবে ঘোষণা করে সেখানে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো যেতে পারে। উপসংহার: পরিশেষে বলা যায়, জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপে খাদ্যের চাহিদা বাড়লেও মানহীন খাবার খেয়ে জাতি পঙ্গু হতে পারে না। তাই কঠোর নজরদারি এবং জনগণের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই সরকার একটি নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে।
HSCEconomics 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?

Dinajpur · 2017

  • নির্দেশকমূলক
  • কেন্দ্রীয়
  • বিক্রেন্দ্রীয়
  • প্ররোচিত

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-
i. কৃষি ঋণ বিতরণ
ii. কৃষি উপকরণ বিতরণ
iii. শস্য বহুমুখীকরণনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, iiও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?

Dinajpur · 2017

  • মূল্য সংযোজন কর (মূসক)
  • সরকারি ঋণ
  • আয়কর
  • আবগারি শুল্ক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?

Dinajpur · 2017

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?

Dinajpur · 2017

  • হাইটেক
  • সংরক্ষিত
  • নিয়ন্ত্রিত
  • অগ্রাধিকার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-
i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন
ii. অধিক বাণিজ্য
iii. অধিক কর্মসংস্থান নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, iiও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?

Dinajpur · 2017

  • দুই
  • তিন
  • চার
  • পাঁচ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

Dinajpur · 2017

  • ৩৭১৫
  • ৪৭১৫
  • ৫৭১৭
  • ৬৭১৫

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-i. কৃষি ঋণ বিতরণii. কৃষি উপকরকোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়নii. অধিক উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।