শেয়ারFacebookWhatsApp

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি পদক্ষেপসমূহের সাথে বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা থাকা জরুরি কিনা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: হ্যাঁ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি পদক্ষেপসমূহের সাথে বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা থাকা জরুরি। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো— স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাও খাদ্য নিরাপদকরণে ভূমিকা পালন করে আসছে ফলে উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে এনজিওর ভূমিকাও এ দেশে ব্যাপক। এ দেশের কিছু এনজিও সারাবিশ্বে রোল মডেল হিসেবে সফলতার সাথে কাজ করছে। তাই খাদ্য নিরাপদকরণেও তারা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। এ দেশে খাদ্যে ভেজাল কেউ কেউ জেনে মেশায়, আবার অনেকে না জেনেও মেশায়। ভেজাল খাদ্যের উপাদানগুলো আমাদের শরীরে কী ক্ষতি করে তা সকলকে জানানোর ব্যবস্থা করতে পারে। আবার বিভিন্ন দিকনির্দেশনার মাধ্যমে জনগণকে ভেজালবিরোধী আন্দোলনে সংযুক্ত করতে পারে। সরকারকে ভেজালবিরোধী আইন তৈরিতে চাপপ্রয়োগ করতে পারে। জনগণের মাঝে ভেজাল নিরূপণকারী কিট সরবরাহের ব্যবস্থা করতে পারে। পচনশীল দ্রব্য সংরক্ষণে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবস্থা করতে পারে। এভাবে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা থাকা জরুরি।

HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি পদক্ষেপসমূহের …

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি ক্ষুদ্র আয়তনের দেশ। কিন্তু জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি। এ বিরাট জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সরকার অভ্যন্তরীণভাবে খাদ্যোৎপাদন বাড়ানোর জন্য কৃষি ও পল্লি উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশেষ করে কৃষি উৎপাদনে ভর্তুকি প্রদান, কৃষিঋণ সহজলভ্যকরণ, কৃষিতে বায়োটেকনোলজির ব্যবহার, কাবিখা, ভিজিএফসহ নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সময় সময় বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানিরও ব্যবস্থা করছে।

Dhaka · 2018

উত্তর

খাদ্য দ্রুত সংরক্ষণের জন্য বা তাড়াতাড়ি পাকানোর জন্য বা রং পাকা করার জন্য মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর, বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী, কেমিক্যাল, বিষাক্ত রং ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে ব্যবহার করা হলে তাকে ভেজাল খাদ্য বলা হয়।

উত্তর

বেঁচে থাকার জন্য যেমন খাদ্য দরকার তেমনি সুস্থ, সুন্দর, স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য ভেজালমুক্ত বা নিরাপদ খাদ্য অপরিহার্য। কারণ ভেজাল খাদ্য বিভিন্ন কঠিন রোগের জন্ম দেয়। দিনের পর দিন ভেজাল খাদ্য গ্রহণের ফলে আমরা জটিল ও মারাত্মক সব রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। আমরা প্রতিদিন যা খাচ্ছি তার সিংহভাগই ভেজালে পরিপূর্ণ। এ ভেজালযুক্ত খাবার মানুষকে ক্রমশ মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়৷

উত্তর

উদ্দীপকে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে যে বিষয়গুলোর কথা বলা হয়েছে তা হলো— কৃষি উৎপাদনে ভর্তুকি প্রদান, কৃষিঋণ সহজলভ্যকরণ, কৃষিতে বায়োটেকনোলজির ব্যবহার, কাবিখা, ভিজিএফ ইত্যাদি। নিচে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করা হলো- কৃষি উৎপাদনে ভর্তুকি প্রদান : সরকার সারাদেশে ১ কোটি ৪৩ লক্ষ ৭৫ হাজার কৃষক পরিবারের মধ্যে উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণ করেছে। কৃষক ও ক্রেতাকে সহায়তার লক্ষ্যে অনেক সময় সরকার উচ্চ মূল্যে খাদ্যশস্য ক্রয় করে স্বল্পমূল্যে তথা ভর্তুকি দিয়ে বিক্রি করে। কৃষিঋণের সহজলভ্যকরণ : দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার তথা সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে কৃষিখাত এবং পল্লি অঞ্চলের ভূমিকা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সরকার কৃষি ও পল্লিঋণ প্রাপ্তি সহজতর করেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক ও অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানসমূহের মাধ্যমে কৃষি ও পল্লিঋণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। কৃষিতে বায়োটেকনোলজির ব্যবহার : পরমাণু ও বায়োটেকনোলজি পদ্ধতি ব্যবহার করে লবণাক্ততা সহিষ্ণু এবং স্বল্প সময়ের শস্যের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল উপকূলীয় এলাকা ধান চাষের আওতায় আনার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। সরকারি খাদ্যশস্য বিতরণ : দরিদ্র জনগোষ্ঠী যেন খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে সেজন্য সরকারি পাবলিক ফুড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম বিভিন্ন চ্যানেলে নির্ধারিত আয়ের সরকারি কর্মচারী ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য সহায়তা দিয়ে থাকে। এর আওতায় ওএমএস, ফেয়ার প্রাইস কার্ড, ৪র্থ শ্রেণি কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা, গার্মেন্টস শ্রমিক ও অন্যান্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী খাতে কাবিখা, টিআর, ভিজিএফ, ভিজিডি, জিআর ও অন্যান্য।

উত্তর

হ্যাঁ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি পদক্ষেপসমূহের সাথে বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা থাকা জরুরি। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো— স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাও খাদ্য নিরাপদকরণে ভূমিকা পালন করে আসছে ফলে উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে এনজিওর ভূমিকাও এ দেশে ব্যাপক। এ দেশের কিছু এনজিও সারাবিশ্বে রোল মডেল হিসেবে সফলতার সাথে কাজ করছে। তাই খাদ্য নিরাপদকরণেও তারা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। এ দেশে খাদ্যে ভেজাল কেউ কেউ জেনে মেশায়, আবার অনেকে না জেনেও মেশায়। ভেজাল খাদ্যের উপাদানগুলো আমাদের শরীরে কী ক্ষতি করে তা সকলকে জানানোর ব্যবস্থা করতে পারে। আবার বিভিন্ন দিকনির্দেশনার মাধ্যমে জনগণকে ভেজালবিরোধী আন্দোলনে সংযুক্ত করতে পারে। সরকারকে ভেজালবিরোধী আইন তৈরিতে চাপপ্রয়োগ করতে পারে। জনগণের মাঝে ভেজাল নিরূপণকারী কিট সরবরাহের ব্যবস্থা করতে পারে। পচনশীল দ্রব্য সংরক্ষণে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবস্থা করতে পারে। এভাবে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা থাকা জরুরি।
HSCEconomics 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-
i. কৃষি ঋণ বিতরণ
ii. কৃষি উপকরণ বিতরণ
iii. শস্য বহুমুখীকরণনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-
i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন
ii. অধিক বাণিজ্য
iii. অধিক কর্মসংস্থান নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-i. কৃষি ঋণ বিতরণii. কৃষি উপকরকোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়নii. অধিক উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।