খাদ্যে ভেজাল দূরীকরণে উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা এককভাবে যথেষ্ট নয়।
খাদ্য ভেজাল দূরীকরণ একটি বহুস্তরগত কর্মসূচি বা প্রক্রিয়া। তাই খাদ্য ভেজাল নিশ্চিত করলে সরকার যেমন নানামুখী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তেমনি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা কর্তৃক পদক্ষেপ ও জনগণকেও সচেতন হতে হবে। অন্যথায় এ বিশাল সামাজিক সমস্যা দূর করা সম্ভব হবে না।
উদ্দীপকে সরকার খাদ্য ভেজাল দূরীকরণে 'মোবাইল কোর্ট অভিযান', 'তথ্য প্রদান কেন্দ্রসহ নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। উক্ত পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে ভেজালকারীদের মধ্যে সাময়িক ভয় সৃষ্টি ও নজরদারি বাড়ানো সম্ভব হয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়। তাই এই সমস্যা সমাধানে বেসরকারি সংস্থা, NGO, এ জনসচেতনতা প্রয়োজন।
খাদ্যে ভেজাল দূরীকরণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা (NGO) এবং সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। NGO-গুলো ভেজালের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার চালাতে পারে। অন্যদিকে, সাধারণ জনগণের উচিত ভেজাল খাদ্য কেনা ও গ্রহণ থেকে বিরত থাকা এবং ভেজালকারীদের তথ্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সরবরাহ করা। এভাবে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব। সুতরাং, খাদ্যে ভেজাল দূরীকরণে সরকারের পদক্ষেপগুলো জরুরি হলেও, জনগণের সচেতনতা ও বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতা প্রয়োজন।