খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকার, বেসরকারি সংস্থা ও জনসাধারণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
সরকার বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে নানামুখী উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। এ. লক্ষ্যে কৃষি ও পল্লি উন্নয়ন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করেছে। খাদ্যোৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি উপকরণে ভর্তুকি বৃদ্ধি, কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা এবং কৃষিঋণের আওতা বৃদ্ধি ও প্রাপ্তি সহজীকরণ করা হয়েছে।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের অসাধু ব্যবসায়ীগণ খাদ্যসামগ্রীতে ভেজাল মেশানোর কারণে খাদ্য মারাত্মকভাবে অনিরাপদ হয়ে পড়ছে। এসব ভেজাল খাদ্য খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে দেশের সচেতন জনগণ, মিডিয়া এবং এনজিওসমূহ নিরাপদ খাদ্যের পক্ষে সোচ্চার হতে হবে। সরকার দেশের মানুষের পুষ্টি সেবার জন্য তাদের পুষ্টি বিষয়ে সচেতন করার কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারে।
সাধারণ জনগণ ভেজালের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়লে দেশ থেকে ভেজালের সমস্যা দূর হবে। খাদ্যে ভেজালের কুফল বা ক্ষতিকারক দিকগুলো ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে মিডিয়া জনসাধারণের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। দেশের সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাও খাদ্য নিরাপদকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আবার, উন্নয়নে অংশীদার হিসেবে এনজিওর ভূমিকাও এদেশে ব্যাপক। এসব সংস্থা বিভিন্ন দিকনির্দেশনার মাধ্যমে জনগণকে ভেজালবিরোধী আন্দোলনে সংযুক্ত করতে পারে। আবার, সরকারকে ভেজালবিরোধী আইন তৈরিতে চাপও প্রয়োগ করতে পারে।