বাংলাদেশ আর্ন্তজাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রতিবছরই নানা ধরনের প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছে।
বাংলাদেশে বৈদেশিক বাণিজ্যে প্রতিকূল ভারসাম্য বিদ্যমান। এজন্য দেশ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এই আর্থিক ক্ষতি দূর করার জন্য রপ্তানির প্রতি মনোযোগী হয়ে আমদানি হ্রাস করতে হবে। এজন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রচেষ্টা দ্বারা রপ্তানি বৃদ্ধির হার আরও বাড়ানো যায়।
উদ্দীপকে সরকার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। যেমন- EPZ স্থাপন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, বিনিয়োগকারীদের সহায়তা প্রদান ইত্যাদি। তবে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুবিধার্থে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং সুদের হার হ্রাস করতে হবে। অন্যদিকে রপ্তানি পণ্যের পরিবহন, জাহাজীকরণ, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন প্রভৃতি গ্রহণ করা দরকার। রপ্তানি প্রণোদনা হিসেবে সরকার কর্তৃক রপ্তানিকারকদের কর প্রত্যর্পণ, স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান, শুল্কবিহীন কাঁচামাল আমদানি, ইত্যাদি সুবিধা দিতে হবে এবং এ সুবিধাগুলো যাতে বাস্তবে সময়মতো কার্যকর হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। তাছাড়া গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের রপ্তানি খাতের অবকাঠামোর উন্নয়ন সাধন করতে হবে। এছাড়াও দেশে বাণিজ্য মেলার আয়োজন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রপ্তানি মেলাতে অংশ নিয়ে দেশের রপ্তানি পেেণ্যর বাজার সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে। উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য সহায়ক।