উদ্দীপকের মি. ঈশান তার দেশ বাংলাদেশে চাহিদা রয়েছে অথচ কম উৎপাদিত হয় এমন দ্রব্য দেশে আনার উদ্যোগ নেন। এক্ষেত্রে তিনি পণ্যগুলোকে প্রধানত খাদ্যজাত, শিল্পজাত, জ্বালানি, মূলধনী, বিলাসজাত ও আরামদায়ক প্রভৃতি শ্রেণিতে বিভক্ত করেন। এসব দ্রব্যকে বাংলাদেশের আমদানি দ্রব্যসমূহের শ্রেণিকরণে প্রধানত ভোগ্যপণ্য শিল্পজাত ও মূলধনী দ্রব্য হিসেবে বিবেচনা করা হয় বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। তাই বাংলাদেশকে বিপুল পরিমাণ ভোগ্যপণ্য আমদানি করতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে চাল, গম, ইত্যাদি তৈলবীজ, অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম, কাঁচা তুলা প্রভৃতি। ভোজ্যতেল, পেট্রোলিয়ামজাত দ্রব্য, সার, ক্লিংকার, সুতা, স্টেপল ফাইবার ইত্যাদি শিল্পজাত ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করে বাংলাদেশ। কৃষি ও শিল্পখাতের উন্নয়নে প্রয়োজনে বাংলাদেশকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মূলধনী দ্রব্য আমদানি করতে হয়। তন্মধ্যে যন্ত্রপাতি, কলকব্জা, যন্ত্রাংশ, কৃষি যন্ত্রপাতি, মোটরগাড়ি, রেলগাড়ি, ইঞ্জিন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ২০১৪-১৫ সময়ে এ খাতে ব্যয় হয় প্রায় ৩৩২১. মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এছাড়াও বাংলাদেশ চিনি, শিশু খাদ্য, সিগারেট, তামাক, এসি, কয়লা ইত্যাদি আমদানি করে থাকে।