নিচে উদ্দীপক থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গতিধারার ওপর মন্তব্য করা হলো-বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্যসমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়। যথা- (i) প্রাথমিক পণ্য ও(ii) শিল্পজাত পণ্য।
(i) প্রাথমিক পণ্য: যেসব পণ্য সরাসরি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত সেগুলোকে প্রাথমিক পণ্য বলা হয়। যেমন: কৃষিজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ইত্যাদি।
(ii) শিল্পজাত পণ্য: যেসব পণ্য শিল্পের মাধ্যমে উৎপাদিত এবং সরাসরি ভোগের জন্য ব্যবহার করা যায় সেগুলো শিল্পজাত পণ্য। তন্মধ্যে তৈরি পোশাক, নিটওয়ার, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত দ্রব্য, প্লাস্টিক সামগ্রী ইত্যাদি।
উদ্দীপক থেকে দেখা যায় ২০১০-১১ অর্থবছরে প্রাথমিক দ্রব্য রপ্তানি করা হয় ১৩১৬ মার্কিন ডলারের এবং পরবর্তী বছর ২০১১-১২ অর্থবছরে ঐ দ্রব্য রপ্তানি হ্রাস পেয়ে হয় ১২৬৭ মার্কিন ডলার। এবং ২০১২-১৩ অর্থবছরে আবার বৃদ্ধি পেয়ে হয় ১৩১০ মার্কিন ডলার।
এছাড়া ২০১০-১১ অর্থবছরে শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে আয় হয় ২১৬১২ মার্কিন ডলার। ২০১১-২০১২ অর্থবছরে শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেয়ে হয় ২৩০৩৫ মার্কিন ডলার। পর্যায়ক্রমে ২০১২-১৩ অর্থবছরে আরও বৃদ্ধি পেয়ে হয় ২৫৭১৭ মার্কিন ডলার এক্ষেত্রে লক্ষ করা যায় যে প্রাথমিক দ্রব্যের ক্ষেত্রে উত্থান-পতন হয়। অর্থাৎ রপ্তানি আয়ের হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে। তাই প্রাথমিক দ্রব্যের গুণগত মান বৃদ্ধি ও রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।