উদ্দীপকে শরীফ সাহেবের বাণিজ্য হলো অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য এবং কমল সাহেবের বাণিজ্য হলো' আন্তর্জাতিক রাণিজ্য। এই দুই ধরনের বাণিজ্যের মধ্যে বেশকিছু মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান।১. ভৌগোলিক পরিধি: অভ্যন্তরীণ 'বাণিজ্য একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে পরিচালিত হয়। এর বিপরীতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য দেশের সীমানা পেরিয়ে একাধিক ভিন্ন দেশের মধ্যে বিস্তৃত হয়।২. মুদ্রা ও সীড়িগত ভিন্নতা: অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে একই দেশের মুদ্রা ব্যবহূত হয় এরং এটি সম্পূর্ণভাবে দেশের নিজস্ব আইন ও বাণিজ্য সীতি স্বায়া পরিচালিত হয়। পক্ষান্তরে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, বৈদেশিক নীতি, আন্তর্জাতিক আইন, চুক্তি এবং শুদ্ধ ব্যবস্থা জড়িত থাকে।৩. বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ: অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে কোনো বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন হয় না। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে দেশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন (রপ্তানি) করে এবং প্রয়োজনে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় (আমদানি) করে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।৪. ঝুঁকি ও সুযোগ: অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে সাধারণত: তুলনামূলকভাবে কম বুঝুঁকি থাকে এবং এটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের ব্যবসায়ীদের জন্ম সহজলভ্য হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ঝুঁকি বেশি তবে এটি ব্যবসার জন্য অনেক বড় বাজার এবং অধিক মুনাফার সুযোগ তৈরি করে।উদ্দীপকের আলোকে দেখা যায়, শরীফ সাহেব বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা (ফরিদপুর, ঢাকা, বরিশাল, কুমিল্লা)-এর মধ্যে ব্যবসায় করেন, য অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য। অন্যদিকে, কমল সাহেব মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত-চীন থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, যেখানে বৈদেশিক নীতি ও মুলবাবস্থা প্রভাব ফেলে।