লেনদেনের ভারসাম্যের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে হলে A দেশের ন্যায় অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বলতে দুই দেশের মধ্যে সংঘটিত হওয়া বাণিজ্যকে বুঝায়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আমদানি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত। একটি দেশ তার উৎপাদিত দ্রব্য অন্য দেশে রপ্তানি করে এবং প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি আমদানি করে। ফলে দু'দেশের মধ্যে আমদানি ও রপ্তানি প্রক্রিয়া কার্যকর হয় এবং লেনদেনের ভারসাম্য গড়ে ওঠে। তাছাড়া লেনদেন ভারসাম্য ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার জন্য রপ্তানিমুখী পণ্য উৎপাদন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটানোসহ রপ্তানি উন্নয়নমূলক নীতি গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি রপ্তানিকৃত পণ্যের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
তাছাড়া উৎপাদিত পণ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি পণ্য বিদেশের বাজারে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে এবং প্রয়োজনীয় দ্রব্য যেমন বিলাস জাত দ্রব্য,শিল্পের কাঁচামাল, তেল, সার, সুতা, ক্লিংকার, মূলধনী দ্রব্য আমদানি করে। ফলে উভয় দেশের মধ্যে আমদানি রপ্তানির মাধ্যমে লেনদেনের ভারসাম্য সৃষ্টি হয় এবং উভয় দেশই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করে।
সুতরাং বলা যায় লেনদেনের ভারসাম্য কাটিয়ে উঠতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অপরিহার্য।যেন প্রতিটি দেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রতি আগ্রহী হয় এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে।