উদ্দীপকে উল্লিখিত পণ্য দ্রব্যগুলোর মধ্যে বর্তমানে অপ্রচলিত দ্রব্য সামগ্রী রপ্তানি আয়ের সিংহভাগের যোগান দিচ্ছে।
রপ্তানি পণ্য সামগ্রীকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: প্রচলিত ও অপ্রচলিত পণ্য। যে পণ্যসমগ্রী দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববাজারে রপ্তানি করে আসছে, তা প্রচলিত রপ্তানি পণ্য। এগুলোর মধ্যে কাঁচা পাট, চা, চামড়া ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। আর সাম্প্রতিক সময়ে যেসব পণ্যসামগ্রী রপ্তানি করা শুরু হয়েছে সেগুলো অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য। যেমন- তৈরি পোশাক, সার, হিমায়িত খাদ্য ইত্যাদি।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভূমিকা রাখছে খাদ্যশস্য কাঁচা পাট, চা, ভোজ্য তেল, তৈরি পোশাক, সার ইত্যাদি। অর্থাৎ বাংলাদেশ প্রচলিত ও অপ্রচলিত উভয় ধরনের পণ্যই বিশ্ববাজারে রপ্তানি করে আসছে। কিন্তু বর্তমানে রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসছে অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্য থেকে। অর্থাৎ উদ্দীপকের খাদ্যশস্য, তৈরি পোশাক ও হোসিয়ারি, সার, প্রকৌশল দ্রব্যসমূহ অধিক অবদান রাখছে।
রপ্তানি আয়ের পরিমাণ রপ্তানিকৃত দ্রব্যের প্রকৃতি ও পরিমাণ উভয়ের ওপর নির্ভর করে। অর্থাৎ, স্বাভাবিকভাবেই শিল্পজাত পণ্যের দাম বেশি এবং এগুলো অধিক পরিমাণ রপ্তানি করলে আয়ও তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। তেমনি বাংলাদেশের অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্যের অধিকাংশই শিল্পজাত পণ্য। আবার বাংলাদেশের মোট রপ্তানির সিংহভাগই হয় তৈরি পোশাক ও হোসিয়ারি দ্রব্য। এ কারণে উদ্দীপকে উল্লিখিত পণ্যসমূহের মধ্যে অপ্রচলিত পণ্য সমগ্রী রপ্তানি আয়ের সিংহভাগের যোগান দিচ্ছে।