অপ্রচলিত রপ্তানিপণ্যসমূহ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
যেসব দ্রব্য কিছুদিন পূর্বেও বিদেশে রপ্তানি করা হতো না, কিন্তু বর্তমানে হয় তা হলো অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্য। সাম্প্রতিক হিসেব মতে বাংলাদেশের অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্যের অবদান রপ্তানির শতকরা ৮০ ভাগেরও বেশি। বাংলাদেশের এ সকল দ্রব্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে হলে GDP এবং পণ্যের মান উভয়ই বাড়াতে হবে।
উদ্দীপক অনুযায়ী, অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্যসমূহ হলো- তৈরি পোশাক, জুতা, সিরামিক সামগ্রী, হিমায়িত খাদ্যদ্রব্য, ইত্যাদি। এ সকল পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে রিজার্ভ বাড়ানো যায়। বাংলাদেশের অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্যের মধ্যে তৈরি পোশাক আশাতীত সাফল্য অর্জন করেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ খাত থেকে ২৮,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জিত হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রচুর হিমায়িত চিংড়ি, ব্যাঙের পা, শুঁটকি ইত্যাদি রপ্তানি করে ১০০০ কোটি এর অধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এসব দ্রব্য সাধারণত, চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এসব দেশ বেশিরভাগ আমদানি করে। ভারতসহ প্রতিবেশী কয়েকটি দেশ সাধারণত সার ও রাসায়নিক দ্রব্য আমদানি করে বিনিময়ে বাংলাদেশ মার্কিন ডলার উপার্জন করে। এরপরে রয়েছে সিরামিক সামগ্রী যা রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করে ৩০-৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বিশ্বমন্দা পরিস্থিতি হতে উত্তরণে বাংলাদেশকে এসব পণ্য সাহায্য করেছে। অতএব, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এদের অবদান অতুলনীয়।