আমাদের দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের প্রধান মাধ্যম হল বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ।
দেশের সীমানা পেরিয়ে দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে দ্রব্য ও সেবার বিনিময় সম্পন্ন তাকে আন্তর্জাতিক বা বৈদেশিক বাণিজ্য বলা হয়। পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে ভৌগলিক ও পরিবেশগত সুবিধা প্রাপ্ত দেশটি রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করতে পারে। এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ বাড়ে। যা আমাদের দেশ নির্ভরশীল হলেও আমদানির ক্ষেত্রে এর জন্য আমদানি রপ্তানির বাণিজ্যের প্রচুর ঘাটতি হয়। তবে তৈরি পোশাক, চা , চিনি, সিমেন্ট, পাট, তৈরি পোশাক আমাদের রপ্তানির খাতকে উন্নত করেছে। এর ফলে শ্রমের বিশেষায়ন প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা, গুণগত কাঁচামালের ব্যবহারজনিত কারণে মানসম্মত পণ্য উৎপাদনে সক্ষম হচ্ছে বাংলাদেশ। একটি দেশ অন্য দেশের সাথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে লিপ্ত হওয়ার ফলে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পারিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
উদ্দীপকে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রচুর বৈদেশিক ঋণ ও সাহায্যগ্রহণ করেছে যার ফলে বেশিরভাগ অপচয় ও ক্ষতিকর হয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য রপ্তানি শুরু করেছে। যা দেশকে স্বনির্ভরতা এনে দিয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে স্বনির্ভরতা, সার্বভৌমত্ব দেশে পরিণত হয়েছে। বৈদেশিক বাণিজ্য আমাদের দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা পেয়েছে। তার জন্য এটি উন্নত প্রযুক্তি এবং বৃহত্তম সেবা প্রদান করতে সক্ষম হয়েছে।
সাধারণভাবে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে উত্তরদাতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে। ব্যবসায়ের বাণিজ্যিক হাড় বৃদ্ধির ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পায়। বৈশ্বিকবাজারে আগমন হয় ও দেশের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়। রপ্তানির উদ্দেশ্যে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। যা বেকারত্ব হ্রাস করে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। এভাবে দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্য বৃদ্ধি পায় ও দেশের স্বনির্ভরতা অর্জন করা সম্ভব হয়। একটি জনসাধারণ বাণিজ্যিক উন্নতির জন্য সুস্থ ও পরিকল্পনা রয়েছে এমন সঠিক নীতির মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা হয়।