সাহায্য বরাবরই পরনির্ভরশীলতা সৃষ্টি করে। তেমনি বৈদেশিক সাহায্যও দেশে বিভিন্ন রকম প্রতিকূল অবস্থা সৃষ্টি করে। নিম্নে বৈদেশিক সাহায্যের প্রতিকূল দিকসমূহ ব্যাখ্যা করা হলোঃ
বৈদেশিক সাহায্যের ফলে দেশকে সেই দেশের উপর পরনির্ভরশীল হতে হয়, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের মতামতকেও প্রাধান্য দিতে হয়, এতে দেশের নিজস্বতা নষ্ট হয়। উন্নত দেশগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর উপর কঠোর শর্তাবলি আরোপ করে। এসব শর্ত রাজনীতি, অর্থনীতি, বাণিজ্য অর্থাৎ দেশের সার্বিক বিষয়ের উপর আরোপিত হয়ে থাকে। উন্নত দেশগুলো তাদের তৈরি বিভিন্ন উৎপন্ন পণ্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কিনতে বাধ্য করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটি হলো একটি উন্নয়নশীল দেশ। তারা প্রথমদিকে বিভিন্ন উন্নত দেশসমূহের কাছ থেকে সাহায্য গ্রহণ করতো। এসব ঋণদাতা, দেশ বিভিন্ন কঠিন শর্ত আরোপ করে সাহায্য করতো। উচ্চহারে সুদ দিয়ে সাহায্য করতো। আবার এসব উন্নত দেশ অনিশ্চিতভাবে ঋণ বা সাহায্য প্রদান করে থাকে। ফলে দেশটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে বাধ্য হয়। যা বৈদেশিক বাণিজ্যকে প্রতিকূলতায় ফেলে।