উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে প্রতিকূল বাণিজ্য ভারসাম্য লক্ষ্য করা যায়।
কোনো দেশের এক বছরে দৃশ্যমান রপ্তানি আয় অপেক্ষা দৃশ্যমান রপ্তানি ব্যয় কম হলে তাকে প্রতিকূল বাণিজ্য ভারসাম্য বলে। এ অবস্থায় B1 = (x - m) < 0। অর্থাৎ রপ্তানি আয় থেকে আমদানি ব্যয় বাদ দিলে, যে মান পাওয়া যায়, তার পরিমাণ ০ থেকে কম। যা বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি নির্দেশ করে।
উদ্দীপকে সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য পরিস্থিতি লক্ষ করলে দেখা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ও রপ্তানি আয় ছিল যথাক্রমে ৪০৭০৪ ও ৩১২০৯ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বাংলাদেশের সেই অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল (৪০৭০৪-৩১২০৯) বা ৯৪৯৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আবার, উদ্দীপকে আরও লক্ষণীয় যে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় ও রপ্তানি আয় ছিল যথাক্রমে ৪২৯২১ ও ৩৪২৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ এ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল (৪২৯২১-৩৪২৫৭) বা ৪৬৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ঘাটতি পূর্বের তুলনায় কম হলেও বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান থাকায় এটা প্রতিকূল বাণিজ্য ভারসাম্যকে নির্দেশ করছে। তাই উপযুক্ত আলোচনার মাধ্যমে এটা বলা যায় যে, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রতিকূল বাণিজ্য ভারসাম্য বিদ্যমান।