রপ্তানি সম্প্রসারণের ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নতির দিকে এগিয়ে যায়।
এ যাবৎ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য মুষ্টিমেয় কয়েকটি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত। আমাদের একক বৃহত্তম রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক যা থেকে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ ভাগ আসে। এ তৈরি পোশাকের পাশাপাশি পাটজাত দ্রব্য, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, কম্পিউটার সফটওয়্যার, হোম টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিং দ্রব্য, চামড়াজাত পণ্য, রাসায়নিক সার, পাদুকা, সিরামিক দ্রব্য, চিংড়ি, খেলনা প্রভৃতি দ্রব্য রপ্তানির উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। উদ্দীপকে বাংলাদেশের রপ্তানির সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোতে হয়। এ সীমিত সংখ্যক দেশগুলোর পাশাপাশি ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা প্রভৃতি দেশে রপ্তানি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নিয়েছে। বাংলাদেশের কতিপয় রপ্তানি পণ্যের উপযুক্ত মান নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে আপত্তি থাকায় ঐসব পণ্য যথাযথ দাম পায় না। সুতরাং, আন্তর্জাতিক মানের পণ্য উৎপাদনের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ শ্রম নিয়োগ করা দরকার। প্রতিষ্ঠিত শিল্পে পণ্যের মান উন্নয়ন কঠিন কিছু নয়। এছাড়া, সরকার ও রপ্তানিকারকগণ রপ্তানিজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন বা প্রচারণা করতে পারে। এতে রপ্তানিজাত দ্রব্যের প্রসার ঘটে এবং রপ্তানি বৃদ্ধি পায়। ওপরের পদক্ষেপগুলো দেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে বেশি কার্যকর বলে আমি মনে করি।