উদ্দীপকে উল্লিখিত উপায় ছাড়াও আরো কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে পারে।কোনো দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ উক্ত দেশের সরকারি নীতিমালা বা পদক্ষেপের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো রপ্তানি সহায়ক হলে দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ে। এ পদক্ষেপগুলোর মধ্যে উৎপাদন বৃদ্ধি, বাজার সার্ভে, শুল্ক রেয়াত, রপ্তানি ঋণ, রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল গঠন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।উদ্দীপকে নিলয় সাহেব ভাবেন, বাংলাদেশ উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নিলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আরো সম্প্রসারিত হবে। অর্থাৎ, সরকার রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে পারে। উক্ত পদক্ষেপ ছাড়াও আরো কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। যেমন: রপ্তানিকারক দেশসমূহের মধ্যে সুসম্পর্ক, রপ্তানি ঋণ বৃদ্ধি প্রভৃতি।রপ্তানি বৃদ্ধিতে বাজার সার্ভে সহায়ক ভূমিকা রাখে। বাজার সার্ভের ফলে কোন দ্রব্যের চাহিদা কেমন তা খুঁজে বের করা যায়। ফলে সহজেই কাঙ্ক্ষিত দ্রব্যের রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব হয়। এছাড়াও ট্যাক্স হলিডে, আয়কর সুবিধা, রপ্তানি ঋণ ইত্যাদি প্রদান করলে রপ্তানিকারকরা অধিক রপ্তানি করতে সক্ষম হয়। এভাবে রপ্তানি বৃদ্ধি পায়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর সাথে ওপরের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা উচিত।