রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে শুল্ক রেয়াত, আমদানি নীতি উদারীকরণ ও ট্যাক্স হলিডে কার্যকর পদক্ষেপ, তবে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য আরও কিছু কৌশল গ্রহণ করা প্রয়োজন।
রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য সরকারি নীতিগত সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শুল্ক রেয়াত পণ্য উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারকদের ব্যয় কমাতে সহায়তা করে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার জন্য সহায়ক। আমদানি নীতি উদারীকরণ রপ্তানি শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সহজলভ্য করে, ফলে উৎপাদন খরচ কমে এবং রপ্তানিযোগ্য পণ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ট্যাক্স হলিডে বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কর মওকুফ নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে, যা রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশ ঘটায়।
তবে, শুধু নীতিগত সহায়তা যথেষ্ট নয়। রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য বৈদেশিক বাজার সম্প্রসারণ, মানসম্মত উৎপাদন নিশ্চিতকরণ এবং কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজীকরণ প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তির অভাবে বাংলাদেশ তার রপ্তানি বাজারে কাঙ্ক্ষিত প্রতিযোগিতা করতে পারে না। উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো প্রাথমিকভাবে কার্যকর হলেও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই রপ্তানি প্রবৃদ্ধির জন্য আরও পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।
সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো কার্যকর, তবে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, প্রযুক্তির উন্নয়ন ও অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ সম্ভব নয়।