আমি মনে করি, রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোই যথেষ্ট।
সামান্য কয়েকটি প্রচলিত ও অপ্রচলিত পণ্যের সমন্বয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য পরিচালিত হয়। এসব পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাকের অবদান সবচেয়ে বেশি। এছাড়া উদ্দীপকে উল্লিখিত পাট, চা, চামড়া, মাছ, ফল, ফুল ইত্যাদির অবদান অনেক।
উদ্দীপকে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সরকার রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল গঠন, বিদেশে বাণিজ্য অফিস খোলা, রপ্তানি শুল্ক হ্রাসকরণ ইত্যাদি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এছাড়া সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে, যেমন- ভর্তুকি প্রদান, সহজ ঋণ সুবিধা, আমদানি নীতি উদারীকরণ, দ্রব্যের মান উন্নয়ন ইত্যাদি।
সরকারের গৃহীত শুল্ক রেয়াত সুবিধার ফলে কাঁচামালের দাম হ্রাস পাবে। ফলে উৎপাদন খরচ কমবে। রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল গঠন রপ্তানিকারকদের পুঁজির নিশ্চয়তা দান করবে।
সুতরাং বলা যায় যে, বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সরকারকর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ যথেষ্ট কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।