উদ্দীপকের উল্লিখিত পরিস্থিতি নিরসনের জন্য বাণিজ্য না সাহায্য, কোনটি "Y" দেশের জন্য অধিক কার্যকর হবে তা বিশ্লেষণ করা হলো-Y দেশের বাণিজ্য ঘাটতির প্রধান কারণ হলো রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয়ের দ্রুত বৃদ্ধি। এ পরিস্থিতি নিরসনে 'বাণিজ্য' অধিক কার্যকর পদ্ধতি হতে পারে। কারণ সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা একটি দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে এবং দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী সমাধান প্রদান করতে পারে না। অপরদিকে, বাণিজ্যের প্রসার একটি দেশকে আত্মনির্ভরশীল করতে সাহায্য করে। প্রথমত, রপ্তানির বহুমুখীকরণ এবং অপ্রচলিত পণ্যকে উৎসাহিত করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বৃদ্ধি করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, তথ্যপ্রযুক্তি, ওষুধ শিল্প এবং হস্তশিল্প খাতগুলোর উন্নয়ন Y দেশের রপ্তানি আয়কে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে। দ্বিতীয়ত, স্থানীয় পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আমদানি নির্ভরতা কমানোর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় রোধ করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি আমদানির উপর চাপ কমাতে সহায়তা করবে। তৃতীয়ত, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়িয়ে আমদানি ও রপ্তানি উভয় ক্ষেত্রে ভারসাম্য আনা সম্ভব। অতএব, সাহায্যের তুলনায় বাণিজ্য দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণের জন্য দীর্ঘমেয়াদে অধিক কার্যকর সমাধান।