বৈদেশিক সাহায্যের নেতিবাচক প্রভাব উদ্দীপকের আলোকে আলোচনা কর।
উত্তর: বৈদেশিক সাহায্যের ইতিবাচক প্রভাব হতে নৈতিবাচক প্রভাবই বেশি, নিম্নে তা নিয়ে আলোচনা করা হলো— যখন কোন দেশ অন্য দেশকে শর্ত ও সুদের বিনিময়ে ঋণ দিয়ে থাকে তখন তাকে বৈদেশিক সাহায্য বলে। এর নেতিবাচক দিকসমূহ: ১. শর্ত সাপেক্ষে ঋণ: গ্রহীতা দেশকে দাতা দেশ এমন কিছু শর্ত দেয়, যা গ্রহীতা দেশের জন্য অকল্যাণ বয়ে আনে। যেমন: দাতা দেশ হতে ঋণ পরিমাণ দ্রব্য গ্রহীতা দেশকে আমদানি করতে হয়, এসমস্ত পণ্য নিম্ন বা অতিমূল্যায়িত হলেও কিছু করার থাকে না। ২. উচ্চ সুদের হার: দাতা দেশগুলো প্রদেয় ঋণের বিপরীতে উচ্চ হারে সুদ দিতে হয়, যা পরিশোধ করতে দেশগুলো হিমশিম খায়। এমনকি দেউলিয়া হয়ে যায়। ৩. অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ: গ্রহীতা দেশগুলোকে অনেক সময় দাতা দেশের মনমতো অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত নিতে হয়। ৪. পরনির্ভরশীল: বৈদেশিক ঋণের ফলে গ্রহীতা দেশ পরনির্ভরশীল এর পাশাপাশি উদাসীন হয় এবং দেশীয় সম্পদ ব্যবহারে কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করে না। ৫. মুদ্রাস্ফীতি: অনেক সময় অধিক পরিমাণ অর্থ ঋণ নেওয়ার ফলে দেশের বাজারে মুদ্রাস্ফীতির সৃষ্টি হয়। উপরোক্ত আলোচনা হতে বুঝা যায়, আমাদের উচিত স্ব-নির্ভর হওয়া।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
বৈদেশিক সাহায্যের নেতিবাচক প্রভাব উদ্দীপকের আলোকে আলোচনা কর।
উদ্দীপক
Chittagong · 2021
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর